1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

আজীবন অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই : আকতার হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫২২

মো: আকতার হোসেন। ফতুল্লার কতুবআইল খিজিরপুর এলাকার সদ্য মরহুম আলহাজ্ব আলা উদ্দিন ওরফে হাজী আলা উদ্দিনের মেঝ ছেলে। বর্তমানে হোসাইন টেক্সটাইল মিলস ও কর্ণফুলি টেক্সটাইল মিলসের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর। এছাড়া হাজী মান্নান মাদরাসা, হাজী আব্দুল আউয়াল চিশতী মাদরাসা ও শাহানূর বেগম মাদরাসা এবং হাজী আব্দুল মান্নান জামে মসজিদ ও আলাতুন্নেসা জামে মসজিদের সভাপতি তিনি। আলহাজ্ব আব্দুল আউয়াল চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কুতুবআইল ও কোতালেরবাগ পঞ্চায়েত কমিটিরও সভাপতি তিনি। মোটকথা ব্যবসা-বাণিজ্যের বাইরেও নানা সামজিক কার্যক্রম ও সংগঠনের সাথে জড়িত আকতার হোসেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, তার ছোট ভাই মো: সুমন হোসেন বিশ্বাস গ্রুপের চেয়ারম্যান। বাবা ও মরহুম বড় ভাইয়ের অবর্তমানে তিনি এবং তার ছোট ভাই সকল সহায় সম্পদ দেখা শোনা করছেন। তার ছোট ভাই হাজী আব্দুল মান্নান মাদরাসা ও হাজী আব্দুল মান্নান জামে মসজিদের মোতয়াল্লী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাকাল থেকে হাজী মান্নান মাদরাসা, হাজী আব্দুল আউয়াল চিশতী মাদরাসা ও শাহানূর বেগম মাদ্রাসায় দৈনিক তিন বেলা ১০০০ (এক হাজার) জনের মধ্যে খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া প্রতিটা ঈদে ও রমজানে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে অসহায়, দরিদ্রদের মাঝে সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে দীর্ঘকাল থেকে। যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, এবার করোনা পরিস্থিতিতেও প্রথম ধাপে প্রায় ৬ হাজার পরিবারের মাঝে ১৫ দিনের জন্য খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। রোজার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এবং পুরো রোজার মাসজুড়ে প্রতিদিন ৪ শতাধিক পথচারী রোজাদারদের ইফতারী সরবরাহ করা হয়। ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয় প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে।
আকতার হোসেন বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক কর্মকান্ড, মসজিদ-মাদরাসায় আর্থিক সহায়তা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে ফতুল্লার কুতুবআইল এলাকায় আমাদের পরিবারটির একটি সুনাম রয়েছে। তাই পরিবারের সুনাম যাতে বিনস্ট না হয় এ জন্য যথাসাধ্য সতর্ক থাকার চেষ্টা করি আমরা দুই ভাই। আগামীতেও পরিবারের ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রাখতে আমরা বদ্ধ পরিকর। এই জন্য সবার দোয়া চাই, যাতে সারা জীবন অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারি।
তবে তিনি দু:খ প্রকাশ করে বলেন,একটি অসাধু চক্র আমাদের পরিবারের সুনাম বিনষ্ট করার জন্য এবং আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। এতে আমরা মানসিকভাবে কস্ট পাচ্ছি।
আকতার হোসেন বলেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের সকল বিধিনিষেধ মেনে এবং আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর আমার নামে একটি ২২ বোর রাইফেল এর লাইসেন্স ইস্যু করেন। লাইসেন্স নাম্বার-১২৬/২০১৩। পরে ২০১৪ সালের ২৭ জানুয়ারি একটি ২২ বোর রাইফেল যার নং-এ৫৪৬০৬০ বাই জি এস জি মেড ইন জার্মানী ঢাকার ‘কে আহম্মদ এন্ড সন্স কোম্পানী’ হতে অস্ত্রটি ক্রয় করি। এবং অস্ত্রটি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দাখিল করা হলে তা পরীক্ষা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি রেজিস্টারে এন্ট্রি করেন। এরপর প্রতি বছর অস্ত্রটি নবায়ন করে আসছি। একইভাবে আমার ছোট ভাই মো: সুমন হোসেনের আবেদনের প্রেক্ষিতে তারে নামে একটি ২২ বোর রাইফেল ইস্যু করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে। লাইসেন্স নাম্বার-৩০৬। পরে ২০১২ সালের ১৫ ডিসেম্বর একটি ২২ বোর রাইফেল যার নং-বি০৩১০২৯ বাই কালাস্নিকোভ, মডেল-একে-২২, মেড ইন জার্মানী, ঢাকাস্থ ‘কে আহম্মদ এন্ড কোম্পানী’ হতে অস্ত্রটি ক্রয় করা হয়। অস্ত্রটি কেনার পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে দাখিল করা হলে পরীক্ষা করে তা ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর রেজিস্টারে এন্ট্রি করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এরপর থেকে অস্ত্রটি প্রতি বছর নবায়ন করা হয়। একদিন আমি অস্ত্র দুইটি নিয়ে নিজ বাসভবনে শখের বশে ছবি তুলি। এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার আইডি থেকে পোস্ট দেই। সেখান থেকে অসাধু চক্রটি ছবিগুলো নিজেদের কাছে সংরক্ষন করে। পরে ওই চক্রটি তাদের কাছে সংরক্ষিত থাকা ছবিগুলো কিছুদিন পর পর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সরবরাহ করে এবং প্রচার করে যে অস্ত্র দুইটি অবৈধ। অথচ বৈধ অস্ত্রগুলো প্রতি বছর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে নবায়ন করা হয়। সবশেষ গত ১৩ অক্টোবর অস্ত্র দুইটি লাইসেন্সের সাথে মিল আছে কি না তা পরীক্ষা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মো: হুমায়ুন কবির মোল্লা।
আকতার হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সকল প্রকার বিভ্রান্তি দুর করার জন্য অস্ত্র দুইটির বৈধতা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরলাম। আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনারা সজাগ ও সচেতন থাকলে আশাকরি অসাধু চক্রটি ভবিষ্যতে অস্ত্র দুইটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে পারবে না।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart