1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

ইউরোপ বিচ্ছেদের নির্বাচন ও বাঙালি প্রার্থীদের অবস্থান

তানভীর আহমেদ, লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২০৪

১২ ডিসেম্বর ব্রিটেনে ভোরের সূর্য উঠবে নতুন এক বার্তার অপেক্ষায়, ইউরোপের সাথে অর্ধ শতাব্দীর সম্পর্কের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ব্রিটেনের জনগণ। ২০১৯ সালের এই নির্বাচনটিকে অঘোষিত দ্বিতীয় গণভোটও বলা যায়। ব্রিটিশ জনগণের হাতে আরো একবার সুযোগ তৈরি হলো ব্রেক্সিট ইস্যুতে তারা কোন সরকারের হাতে সমাধান চায় সেটা বলবার। নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে জরিপকারী সংস্থা অপিনিয়াম বলছে, কনসারভেটিভের সরকার গঠনের সম্ভাবনা ৪৬% আর লেবারের ৩১% । ইপসস মরি’র জরিপে কনসারভেটিভ ৪৪% আর লেবার ৩২ % আসনের কথা বলছে।

গত ১০ ডিসেম্বর ইউগভ’ ও পোল ট্রেকারের জরিপে কনসারভেটিভ ৪৩%, লেবার ৩৩% জনপ্রিয়তার সূচক প্রকাশ করেছে। জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে, জেরিমি করবিনের লেবার পার্টি ধারাবাহিকভাবে ৮ থেকে ১০ শতাংশ সমর্থনে পিছিয়ে রয়েছে। ইউগভ ইলেকট্রনিক সেন্টারের প্রকাশিত সম্ভাব্য ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, কনসারভেটিভ প্রায় ৩৫৯ টি আসন নিয়ে সরকার গঠন করার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। বিরোধী দল লেবার পার্টি ২১১ টি আসন ও স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির ৪৩ টি আসনে জয় লাভ করতে পারে। যদিও ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে এধরনের সংস্থার জরিপ ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও ভোটারদের মধ্যে এধরনের আগাম জরিপের প্রতি আস্থা এখনো রয়েছে। হাউজ অব কমন্সের ৬৫০টি আসনের মধ্যে সরকার গঠন করতে হলে ৩২৬ টি আসনের প্রয়োজন। থেরেসা মে’র নেতৃত্বে নির্বাচনে কনসারভেটিভ ৩১৭ টি আসন পেয়েছিলো, লেবারের আসন সংখ্যা ছিলো ২৬২ টি। ডিইউপি’র ১০টি আসন নিয়ে যৌথ ভাবে সরকার গঠন করেছিল টোরি।

নির্বাচনের পূর্বে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেওয়া ব্রিটেনের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের একটি রীতি। যদিও শুরুতে বিবিসির অ্যান্ড্রু নিলের রাজনীতি বিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বরিস জনসন। বরিসকে বিবিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, বরিস যদি বিবিস’র শোতে অংশ না নেন তাহলে বিবিসি’র আর কোন অনুষ্ঠানে বরিসকে কথা বলতে দেওয়া হবে না। ‘ঠেলার নাম বাবাজি!’ বরিস রাজি হলেন। ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত টেলিভিশন বিতর্ক খুবই জনপ্রিয়, সাধারণ ভোটাররা নেতাদের বক্তব্য দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন কে হবেন তাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। বিবিসি’র টেলিভিশন বিতর্ক শেষে টোরি নেতা বরিস জনসন ৫২% সমর্থন পেয়েছেন আর লেবার নেতা জেরিমি করবিন ৪৮ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। তবে শেষ হাসি কে হাসবেন সেই সিদ্ধান্ত জানা যাবে ১৩ ডিসেম্বর ভোরে।

নির্বাচনে যে ইস্যুগুলো সবচেয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ব্রেক্সিট। ”গেট ব্রেক্সিট ডান” এই শ্লোগান নিয়ে কনসারভেটিভের অন্যতম এজেন্ডা হলো নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করা। যে কোন মূল্যে আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২০ সালের মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী টোরি নেতা বরিস জনসন। অন্যদিকে লেবার লিডার জেরিমি করবিন ‘ম্যানিফেস্টো ফর হোপ’কে সামনে রেখে তিন মাসের মধ্যে ব্রাসেলসের সাথে দর কষাকষি করে ৬ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় গণভোট দিয়ে ব্রেক্সিট ইস্যুতে পুনরায় জনগণের মতামত জানতে চাইবেন। ব্রেক্সিট নিয়ে জেরিমি করবিনের পরিষ্কার কোন বক্তব্য নেই, জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করেই তিনি ব্রেক্সিট ইস্যুতে এগোতে চান। বরিস জনসনের বক্তব্য হলো লেবার ক্ষমতায় গেলে দুইটি গণভোট হবে। প্রথমটি ব্রেক্সিট ইস্যুতে, দ্বিতীয়টি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে। এই দুই গণভোটের চক্করে পড়ে ব্রিটেনের অর্থনীতির দফারফা হয়ে যাবে। ব্রিটিশ জনগণ আবারো দীর্ঘ একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করতে না পারায় বিগত সাড়ে ৩ বছর ব্রিটেনের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে, ব্রেক্সিট ইস্যুতে আর কোন দেরি করতে চান না বরিস।

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart