1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

এবার পাকিস্তানের ‘কড়া’ নিরাপত্তা নিয়ে ব্যঙ্গ করলেন গাঙ্গুলি

ডেস্ক রিপোর্ট (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৫০

‘আলাল যদি ডাইনে যায়, দুলাল যায় বামে’- বাংলাদেশের পপসম্রাট, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের বিখ্যাত আলাল ও দুলাল গানের অতি পরিচিত একটি লাইন। এই কথার বাস্তব উদাহরণ মেলে বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিটি বিষয়েই। যেকোনো কিছুতে ভারত যা বলবে, পাকিস্তান যেনো তার উল্টোটাই ধরে বসে থাকবে।

যা থেকে বাদ যায় না ক্রিকেটও। সম্প্রতি নাগরিকত্ব আইন নিয়ে অস্থিরবস্থা বিরাজ করছে ভারতে। এ সুযোগটি আবার দারুণভাবে লুফে নিয়েছে পাকিস্তান। নিরাপত্তার বিষয়ে সবধরনের নিশ্চয়তা দিয়েও ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোকে নিজেদের দেশে নিতে পারছে না পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল পাকিস্তানে গিয়ে টেস্ট সিরিজ খেলে আসলেও, তা যেনো আশ্বস্ত করতে পারেনি ক্রিকেট বিশ্বকে।

তাই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানি ও সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিঁয়াদাদ ক্ষোভই প্রকাশ করেছেন আইসিসির কাছে। তাদের মতে, ভারতের চেয়ে এখন পাকিস্তানই বেশি নিরাপদ এবং ভারতেই মূলত খেলা বন্ধ করে দেয়া উচিৎ। তাদের এ কথার জবাব দিতে দেরি করেননি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। তবে তিনি সরাসরি নেতিবাচক মন্তব্য না করে, পাকিস্তানের কড়া নিরাপত্তার প্রতি ইঙ্গিত করে খানিক খোঁচাই দিয়েছেন।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গাঙ্গুলি ফিরে যান প্রায় ১৫ বছর আগে ২০০৪ সালে ভারতের পাকিস্তান সফরে। যেখানে তার অধীনে ভারতীয় ক্রিকেট দল সাফল্য পেয়েছিল ওয়ানডে ও টেস্ট ফরম্যাটে। সেই সফরটি ফলাফলের চেয়েও বেশি মাহাত্ম্যপূর্ণ ছিলো প্রায় ১৫ বছর পর ভারত পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার কারণে। কিন্তু সেবার এত কড়া নিরাপত্তাই দেয়া হয়েছিল ভারতীয় দলকে, যাতে রীতিমতো অতিষ্ঠই হয়ে পড়েছিল গাঙ্গুলি-টেন্ডুলকাররা।

তেমনই এক ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে খানিক কৌতুকের ছলেই গাঙ্গুলি বলেন, ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বললে, আমি আসলে অতিষ্ঠই হয়ে গিয়েছিলাম। প্রথম দিন আমি হোটেল রুম থেকে বের হয়ে দেখি, আমার দরজার বাইরে একে-৪৭ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দুইজন টাইগার। এদের একজন আমার রুমের দিকে তাকিয়েছিল, অন্যজন বাইরের দিকে।’

তিনি বলতে থাকেন, ‘অগত্যা আমি লোকাল ম্যানেজারের কাছে গিয়ে বললাম, আমরা এখানে ৪৫ দিন থাকবো। তাই দয়া করে নিরাপত্তাকর্মীদের রুমের দরজা থেকে সরিয়ে লবিতে নিয়ে যান। কারণ, আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই একে-৪৭ হাতে দাঁড়ানো দুজন মানুষকে দেখতে পারবো না। ধরেন ভুলবশত সে যদি (আমাদের দিকে) গুলি চালিয়ে বসে, তখন তো আর লবিতেও যেতে পারবো না (হাসি)।’

তবে এত কড়া নিরাপত্তা দেখে যে, বাইরে হাঁটা-চলা কিংবা অবাধে ঘোরাফেরা বন্ধ করে দেবেন- এতোটাও সুবোধ ছিলেন না গাঙ্গুলি। নিরাপত্তা প্রহরীদের না জানিয়েই একদিন বেরিয়ে যান রাস্তার মুখরোচক খাবার গ্রহণের জন্য। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আবার ধরা পড়ে যান রাজদ্বীপ সারদেসাইয়ের চোখে। তবে সেদিন রাতের খাবারটা বাইরে থেকেই খেয়ে আসেন গাঙ্গুলি।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তার ব্যাপারটা তখন এক কথায় পাগলামি ছিলো। আমি খাবার খেতে বাইরে গেলাম কিন্তু কাউকে না বলে যাওয়ায় ধরাও পড়ে গেলাম। তবে আমার বন্ধু রাজদ্বীপ সারদেসাই ধরে ফেলে এবং বলতে শুরু করে যে ভারতীয় অধিনায়ক রাস্তায় দাঁড়িয়ে খাবার খাচ্ছে। এরপর রাতের খাবারটাও বাইরে খেয়ে যাই। আমি একটি ক্যাপ পরা ছিলাম এবং চুপচাপ রাতের খাবার সেরে নেই।’

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart