1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের রায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘বড় মেসেজ’

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৩৭

১৯৮৮ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা মামলায় তৎকালীন পাঁচ পুলিশ সদস্যের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঘটনার ৩২ বছর পর এ রায়কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘অতি উৎসাহী’ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ (ভারপ্রাপ্ত) ইসমাইল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

১৯৮৮ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় পুলিশের অ্যাকশন

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর কোনো বাহিনী কিংবা সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন অতি উৎসাহী হয়ে ভবিষ্যতে কোনো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাতে না পারে, এই মামলার রায় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’

১৯৯৮ সালে দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর থেকে এ মামলার সঙ্গে যুক্ত আইনজীবী কাজী ছানোয়ার হোসেন বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, ‘আদালতের এ পর্যবেক্ষণ আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বড় মেসেজ। তারা যেন অতি উৎসাহী হয়ে কোনো পদক্ষেপে না যান সে বিষয়ে আদালত সতর্ক করেছেন।’

৩২ বছর আগের ওই ঘটনায় যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তারা প্রত্যেকেই পুলিশের সাবেক সদস্য। তাদের মধ্যে একমাত্র গোপাল চন্দ্র পলাতক রয়েছেন। কারাগারে থাকা বাকি চারজন হলেন- মমতাজ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া ও আব্দুল্লাহ।

একই রায়ে ‘বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আঘাত সৃষ্টির’ দায়ে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া মামলার মূল আট আসামির মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। তারা হলেন- চট্টগ্রামের তৎকালীন পুলিশ কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদা, কনস্টেবল বশির উদ্দিন ও আব্দুস সালাম।

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে শেখ হাসিনার জনসভায় পুলিশের গুলিতে ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন। ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ নামে পরিচিত ওই ঘটনার চার বছর পর ১৯৯২ সালে আইনজীবী শহীদুল হুদা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদাসহ ৪৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

 

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মামলাটি পুনরায় প্রাণ ফিরে পায়। আদালতের আদেশে মামলাটির তদন্তের ভার পড়ে সিআইডির ওপর। সিআইডি ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে আদালতের নির্দেশে আবারও অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর পুলিশের আট সদস্যকে আসামি করে দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

পুলিশের গুলিতে যারা নিহত হয়েছিলেন
মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম, এথলেবার্ট গোমেজ কিশোর, স্বপন কুমার বিশ্বাস, স্বপন চৌধুরী, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি কে চৌধুরী, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ, শাহাদাত, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বি কে দাশ, সমর দত্ত, হাসেম মিয়া ও মো. কাসেম।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart