1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়িকে নাসিক কাউন্সিলরের মারধর

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৫৭

২০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে ইউছুফ (৪৬) নামে এক ব্যবসায়ীকে আদমজী ইপিজেড থেকে তুলে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাসিক ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা নিজেই তার মঠোফোন ছিনিয়ে নেন। সোমবার বিকালে আদমজী ইপিজেডের টিএনএস বাটন কারখানার সামনে থেকে ওই ব্যবসায়িকে তুলে ৭নং ওয়ার্ডের কদমতলীতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কাউন্সিলরসহ তার ক্যাডার বাহিনী ব্যবসায়ীকে মারধর করে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ইউছুফ বাদী হয়ে সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তবে অভিযুক্ত নাসিক ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আলী হোসেন আলা দাবী করেছেন তিনি ব্যবসায়ী ইউছুফকে তার লোকজন দিয়ে তুলে এনে সমঝোতা করে ছেড়ে দিয়েছেন। চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর তাকে আসতে বলা হয়েছে, সে আসলে তার মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা দাবী করেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবত আদমজী ইপিজেড অভ্যন্তরের টিএনএস বাটন কারখানায় ব্যবসা করে আসছিলেন। কয়েক দিন পূর্বে ইউছুফ ওই টিএনএস বাটন কারখানায় ব্যবসা করার জন্য কোটেশন দিয়ে আমার ব্যবসা নিয়ে যেতে চাচ্ছে। তাই ইউছুফকে আমার লোকজন দিয়ে তুলে এনে সমঝোতা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। ইউছুফ বলেছে টিএনএস বাটন কারখানায় সে আর যাবে না।
এদিকে ব্যবসায়ী ইউছুফ জানান, টিএনএস বাটন কারখানা কর্তৃপক্ষ কোটশেন আহবান করলে তিনি কোটেশন দাখিল করে কাজ পান। কর্তৃপক্ষ তাকে কাজ দিয়েছেন তাই তিনি বৈধ ভাবে ওই কারখানায় ব্যবসা করে আসছিলেন। হঠাৎ সোমবার বিকালে ওই কারখানার সামনে থেকে ৩টি মোটরসাইকেলে করে শাহজাহান, হারুন, নজরুলসহ ৬ জন লোক তাকে জোর করে মোটরসাইকেলে করে নাসিক ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলের কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে পূর্ব থেকেই অবস্থান করছিলেন কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা। এসময় ইউছুফকে কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা বলে আমি কাউকে পরোয়া করিনা। ইপিজেডে ব্যবসা করতে হলে আমাকে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। এ কথা বলেই কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা ও তার লোকজন ইউছুফকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মেরে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে কথা হলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামরুল ফারুক বলেন, এক ব্যবসায়ী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart