1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য : এরদোয়ান

ডেস্ক রিপোর্ট (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১০৭

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা একেবারে গ্রহণযোগ্য নয় মন্তব্য করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। একই সঙ্গে ট্রাম্পের তথাকথিত ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে বৈধকরণের প্রচেষ্টা বলে নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত চুক্তি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের কোনও সমাধান কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে কোনও ধরনের শান্তি আনবে না বলে মন্তব্য করেছেন এরদোয়ান। ২০১৭ সালে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণারও তীব্র সমালোচনা করেছিলেন তুরস্কের এই প্রেসিডেন্ট।

এর আগে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামে পরিচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনাকে ‘নতুন বেলফোর ঘোষণা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ফিলিস্তিনিরা।

ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয় দেশের জন্য এই প্রস্তাবকে উইন-উইন সলিউশন হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই চুক্তি ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাতের দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিশ্চিত করবে। ইসরায়েলের অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে থাকবে জেরুজালেম। এটা ইতোমধ্যে করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকার কর্মীরা ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের সমালোচনা করেছেন। অনেকেই তথাকথিত এই মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের বাসিন্দা ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কর্মী ফখরি আবু দিয়াব আলজাজিরাকে বলেন, যার মালিকানা নেই, তার হাতে তুলে দিচ্ছেন তিনি (ট্রাম্প), যাদের কোনও অধিকারও নেই। তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার, নতুন বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ট্রাম্প ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করছেন।

ইহুদিদের জন্য নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ব্রিটেনের অঙ্গীকারের পর ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ‘বেলফোর ঘোষণা’ দেয়া হয়। তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ওইদিন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য কথিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ব্রিটেনের অবস্থানের ঘোষণা দেন।

এই চুক্তির ঘোষণা দেয়ার পর ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস রামাল্লায় ফিলিস্তিনি নেতাদের জরুরি বৈঠকে তলব করেন। এই বৈঠকে পশ্চিম তীরের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের প্রতিনিধিদেরও ডাকেন তিনি। হামাস ট্রাম্পের এই চুক্তির যেকোনও বাস্তবায়ন পুরোমাত্রায় প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছে।

বৈঠকের পর রামাল্লাহ থেকে মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাব মেনে নেয়া হবে না। তিনি বলেন, ফিলিস্তিন বিক্রি করার জন্য নয়। শতাব্দি সেরা চুক্তি ময়লার ঝুঁড়িতে নিক্ষিপ্ত হবে। আন্তর্জাতিক আইন মেনে আলোচনা করতে চাইলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ তাতে রাজি আছে বলে জানিয়েছেন মাহমুদ আব্বাস। ফিলিস্তিনি এই প্রেসিডেন্ট বলেন, বেলফোর ঘোষণার চূড়ান্ত ধাপ হলো এই চুক্তি।

বুধবার এরদোয়ান বলেন, জেরুজালেম মুসলিমদের পবিত্র জায়গা। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত একেবারে অগ্রহণযোগ্য। এই পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনিদের অধিকার উপেক্ষা এবং ইসরায়েলি দলখদারিত্বের বৈধতা দেয়া হয়েছে।

অধিকৃত গাজা এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষ, সহিংসতার মাঝেই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এসব কথা বললেন।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart