1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ
জিয়াউর রহমান আ’লীগের পুনর্জীবন দিয়েছে : আব্বাস আ’লীগ যেখানে ব্যর্থ বিএনপি সেখানে সফল : মোশাররফ ফাঁসির আসামিকে যুগ্ম-মহাসচিব পদ দেয়ায় গাজীপুরে বিক্ষোভ ইলেকট্রনিক পাসপোর্টের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফ নেয়া হয়েছে দুই সিটির নির্বাচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে আ’লীগ : কৃষিমন্ত্রী দাখিল পরীক্ষার সংশোধিত রুটিন প্রকাশ আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে শ্রীলংকাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন : কর্মকর্তাদের স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইভিএম বাতিলের দাবি আদায় হবে: মির্জা ফখরুল ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষেধ

ধান কেনার লটারি দিয়ে তোপের মুখে কৃষি কর্মকর্তারা

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

সরকার প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি আমন ধান কেনার জন্য নির্দেশ দিলেও ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১৪ সালের চাষিদের নামের তালিকা দিয়ে লটারি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সোমবার (০২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ লটারির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।

সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অরুনাংশু দত্ত টিটোর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বাবুল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিখিল কুমার রায়, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি সরকার আলাউদ্দীন, জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী প্রমুখ।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৬৮ হাজার ৬৪৮ জন কৃষক নির্বাচনের জন্য লটারি করতে চাইলে সাংবাদিকরা জানতে চান- সরকারি খাদ্যগুদামে সরাসরি ধান বিক্রির সুবিধা পাবেন কোন কোন কৃষক। যারা এবার আমন ধান চাষ করেছেন নাকি যাদের অনেকে কৃষি ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন।’

জবাবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃঞ্চ রায় বলেন, সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষিকার্ড ছাড়া সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুযোগ নেই। সর্বশেষ কৃষি কার্ড দেয়া হয়েছে ২০১৪ সালে। এতে কৃষির সঙ্গে জড়িত যেসব কৃষক কৃষি কার্ড পাননি বা পরবর্তী পাঁচ বছর কৃষিতে জড়িয়েছেন তাদের নাম লটারিতে আসার সুযোগ নেই।

এ অবস্থায় সংবাদকর্মী ও উপস্থিত কৃষকদের তোপের মুখে পড়েন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত বেশিরভাগ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তোলেন কৃষকরা।

এ অবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন দায়িত্বে অবহেলাকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সেই সঙ্গে লটারিতে তালিকাভুক্ত কৃষক ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসায়ী যাতে কৃষকদের তালিকা হাতিয়ে নিয়ে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ না পায় সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়।

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart