1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

নামের মিল থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িকে গ্রেপ্তার করে হয়রানি, এসপির কাছে অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৪৩

শুধু নামের সঙ্গে মিল থাকায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নামের সঙ্গে মিল থাকলেও গ্রেফতারী পরোয়ানায় বাবার নামের সঙ্গে মিল না থাকার পরেও পুলিশ নিরপরাধ আবদুল আজিজ নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। আদালতে প্রকৃত ঘটনা উপস্থাপন এবং জাতীয় পরিচয় পত্র দেখানোর পর আদালত আবদুল আজিজকে জামিন প্রদান করেন। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী আবদুল আজিজ প্রথমে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে জানান। ওসি এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগি আবদুল আজিজকে আরও মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমদি দেন। উপায় না দেখে আবদুল আজিজ গত মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) পুলিশ সুপারের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আমিনুল হক বলেন, গ্রেফতারের সময় নাম, পিতার নাম যাচাই করা হয়েছে। পরে তাকে থানায় নিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে ওসি স্যারকেও অবগত করেছি। এরপর কি হয়েছে আমার কিছু জানা নেই।
ভুক্তভোগী আবদুল আজিজ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কদমতলী নয়াপাড়া এলাকার মদল খান ওরফে মঙ্গল খানের ছেলে।
আবদুল আজিজ তার আবেদনে উল্লেখ করেছেন, তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল চেীধুরী বাড়ী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় মাইক ভাড়া দিয়ে কোন রকমে সংসার চালান। দিন এনে দিন খাওয়ার মত তার অবস্থা। গত ১০ ডিসেম্বর সে তার দোকানে কাজ শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আমিনুল কয়েকজন পুলিশ নিয়ে গিয়ে তাকে বলে- তোর নামে ওয়ারেন্ট আছে।
তখন আমি বলি আমার নামে তো কোন মামলা নাই তাহলে কিভাবে ওয়ারেন্ট হইল? তখন ওই দারোগা আমাকে (আজিজকে) বলে তোর বাপের নাম মুন্টা আলী আহম্মেদ। তোর নামে বিদ্যুৎ এর ওয়ারেন্ট আছে। তখন আবদুল আজিজ দারোগা আমিনুলকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে বলে তাঁর পিতার নাম মুন্টা আলী নয়। মদল খান ওরফে মঙ্গল খান।
আবেদনে আবদুল আজিজ আরো উল্লেখ করেন, এসআই আমিনুল তখন বলে ৪০ হাজার টাকা দিতে, নইলে চালান করে দিবে। টাকা দিতে না পারায় আমাকে হাতকড়া পড়িয়ে থানায় নিয়ে যায়।
থানায় গিয়ে ওসি কামরুল ফারুককেও আবদুল আজিজ জানান, তার পিতার নাম মুন্টা আলী আহাম্মদ নয়। তার পিতার নাম মদল খান এবং ডাক নাম মঙ্গল খান। জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদও ওসিকে দেখায়। তারপরও ওসি আবদুল আজিজকে গালমন্দ করে এবং চালান করে দিতে বলে।
ঘটনার পরের দিন (১১ ডিসেম্বর) আবদুল আজিজকে সিআর মামলা নম্বর ৭৫৭, বিদ্যুৎ আইনের ৩৯/৪৭ ধারায় ওয়ারেন্ট মূলে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আবদুল আজিজ নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ আমলী আদালত ‘ক’ অঞ্চলের বিচারিক হাকিমের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বললে আদালত তাকে জামিন দেন।
জামিনে এসে আবদুল আজিজ থানার ওসির কাছে এ বিষয়ে সুবিচার চায়। ওসি তখন তার একটি ভিজিটিং কার্ড দিয়ে সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৩ দিন পর আসতে বলে। ৩ দিন পর আবদুল আজিজ আবারো ওসির কাছে গেলে ওসি তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং এই বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে আরও মামলায় ঢুকাইয়া জীবনভর জেল খাটানোর হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন আজিজ। ওসি ও দারোগার এমন অন্যায় কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে সুবিচার চেয়েছেন তিনি।
আজিজ সাংবাদিকদের জানান, আমার নামে আমাদের এলাকায় আরো লোক আছে। তাদের কারও বাপের নাম আমি জানি না। আমার বাপের নাম, পরিচয় যা তা আমি প্রমাণসহ দিয়েছি। এসপি সাহেবের কাছে সুবিচার চেয়েছি। আমি সুবিচারের আশায় আছি।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক বলেন, অভিযোগের বিষয়টি সঠিক নয়। ওয়ারেন্ট ছাড়া থানায় কোনো আসামি গ্রেফতার করা হয়নি।
নারায়ণগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম গতকাল রাতে এ বিষয়ে বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ আমার কার্যালয়ে জমা পড়লেও এখনও আমার টেবিলে আসেনি। অভিযোগ হাতে পেলে তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart