1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

‘নির্বাচনের জন্য ঝুঁকির কারণ’ আসামিদের ধরতে বিশেষ অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১২৭

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব, আনসার বাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণত নির্বাচনের আগে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে পুলিশের ওপর মহল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বার্তা না দেয়া হলেও নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন সময় অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা নির্বাচনী এলাকায় ঝুঁকির কারণ বা ক্ষতিকর হতে পারে, এজন্য আগের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, ২-১ দিনে আরও গ্রেফতার হবে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, সুষ্ঠুভাবে দুই সিটি নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচনের সময় মাঠে থাকবেন বাংলাদেশ পুলিশের ২১ হাজার সদস্য। সব মিলিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মোট ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। কাউকে দুই শিফটে, কাউকে ডিউটি করতে হবে বিরতি ছাড়াই।

পুলিশ সদরদফতর জানায়, সারাদেশের নির্বাচন-পূর্ববর্তী, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ হাজার পুলিশ সদস্য থাকবেন। তারা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবেন।

পুলিশ সদরদফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, ইতোমধ্যে দুই সিটিতে নির্বিঘ্নে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ। নির্বাচনের ২-১ দিন আগ থেকে নির্বাচনের ২-৩ দিন পর পর্যন্ত সব জায়গায় পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।

সূত্র জানায়, নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) পুলিশের ৫৪টি মোবাইল টিম এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ৭৫টি মোবাইল টিম মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ডিএনসিসিতে ১৮টি ও ডিএসসিসিতে ২৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। রিজার্ভ ফোর্স থাকবে ডিএনসিসিতে ২৭টি এবং ডিএসসিসিতে ২৫টি। উত্তরে বিজিবি ২৭ প্লাটুন ও দক্ষিণে ৩৮ প্লাটুন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দুই সিটি করপোরেশনের ২৪৬৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ উল্লেখ করে পুলিশকে দেয়া হয়েছে। এরসঙ্গে পুলিশ আরও কয়েকশ কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ তালিকাভুক্ত করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ৬৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির সদস্যরা নির্বাচনের সময় ঢাকায় টহল দেবেন।

বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, তারা প্রচারণার সময় বারবার হামলার শিকার হচ্ছেন, আবার তাদের লোকজনকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাই নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা কেমন হবে এ নিয়ে অনেকেই সংশয়ে আছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এআইজি সোহেল রানা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি পেশাদার বাহিনী। পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ন্ত্রণে থাকে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। আমি মনে করি, নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পুরো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সুন্দর রয়েছে, কোথাও কোনো ঝুঁকি নেই।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart