1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল কানেকটিভিটি নিশ্চিত করা হবে

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ৫৪

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশের শতকরা ৬৫ ভাগ তরুণ জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর অপরিহার্য। এ জন্য দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন কানেকটিভিটি নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সবকিছু করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস ডিজিটাল করার বিকল্প নেই।

বুধবার (১ জুলাই) নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মুজিববর্ষ, ডিজিটাল বাংলাদেশ ও সেবার মানোন্নয়ন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৫৮৭টি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই জোন বাস্তবায়ন হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই জোন সৃষ্টির পাশাপাশি বিটিসিএল এবং টেলিটকের প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। হাওর, দ্বীপ কিংবা চরাঞ্চলসহ দেশের যে কোনো দুর্গম এলাকা ডিজিটাল সংযুক্তি থেকে বাদ যাবে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আগামী দিনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ছাড়া জীবনযাপন অকল্পনীয়। প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য কেবল আগ্রহ থাকলেই যে কারো পক্ষে প্রযুক্তি আয়ত্ত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিতে শত শত বছর পিছিয়ে থেকে লাঙল-জোয়ালের দেশ থেকে বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এবং ইউপিইউর সদস্য পদ অর্জন এবং ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের বীজ বপন করে গেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ ২১ বছরের পশ্চাৎপদতার জঞ্জাল অপসারণ করে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে যুগান্তকারী কয়েকটি কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের মাধ্যমে কম্পিউটার সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেয়া, মোবাইল ফোন সাধারণের নাগালে পোঁছে দিতে চারটি কোম্পানিকে মোবাইল ফোন পরিচালনায় সম্পৃক্ত করা এবং মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগের উদ্যোগ গ্রহণ উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে ক্ষমতার পালা পরিবর্তনের পর প্রযুক্তি বিকাশের এই উদ্যোগ আবারও স্থবির হয়ে পড়ে। ২০০৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা এবং এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ ১১ বছরে এই কর্মসূচি বিশ্ব মানচিত্রে বদলে দিয়েছে বাংলাদেশকে, রচনা করেছে সমৃদ্ধির সোপান।

মন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে করোনাকালে মনে হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ না থাকলে জীবনযাত্রা সচল থাকতো না। এটি এখন শ্বাস-প্রশ্বাসের মতোই অপরিহার্য। অফিস হচ্ছে এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে। নিজের মন্ত্রণালয়ের দশটি প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে তদারকি করতে পারছি। সবাই করছে। আমাদের ছেলেরা অ্যাপ তৈরি করছে। মোটকথা, আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জায়গায় উপনীত হয়েছি। বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো সবার হাতে প্রযুক্তি পৌঁছানো। আমরা ইতোমধ্যে সে কাজটিও সম্পন্ন করেছি। ইতোমধ্যে ২০২১ সালে ৫জি প্রযুক্তি দুনিয়ায় যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান শেফালি, পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী, নেত্রকোনা প্রেসক্লাব সভাপতি এবং জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক প্রতিনিধিরা বক্তৃতা করেন।

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart