1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের ট্রেন আরো গতিশীল হবে: রেলমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৭৩

উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশের ট্রেনও আরো গতিশীল হবে। ট্টেনের সময়সূচি বিপর্যয়রোধ কঠিন চ্যালেঞ্জ ও তা একের পর এক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মোকাবিলা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন।

এ লক্ষ্যে মুজিববর্ষে যমুনা নদীর ওপর আলাদা রেলসেতুর কাজ শুরু হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিন এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে প্রকল্পের। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রেনের সময়সূচির বিপর্যয়রোধে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ স্থাপন করা হবে স্থানে স্থানে।

আজ মঙ্গলবার বাংলা২৪ বিডি নিউজকে রেলমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রেলমন্ত্রী আমেরিকা অবস্থান করায় আগে থেকে চিত্রগ্রহণ করে আজ বিকাল ৫টায় সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী বলেন, ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয় রোধ ও ট্রেন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। লাইনের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে টঙ্গী-জয়দেবপুর, জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী, জয়দেবপুর – জামালপুরসহ বিভিন্ন রুটে। লাইনের সক্ষমতা বাড়িয়ে ট্টেনও বাড়ানো হবে। রেলপথে ৩৫ শতাংশ যাত্রী ও পন্য পরিবহনের সক্ষমতা তৈরির জন্য কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেল যোগাযোগ নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠছিল স্বাধীনতার আগেই। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় রেলের বহু সেতু, কালভার্ট, ধ্বংস করা হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসব অবকাঠামোর পুনর্গঠন করে রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করেন। তখন রেলে জনবল ছিল প্রায় ৭০ হাজারের ওপর। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর পরবর্তী সরকারগুলো সড়কখাতের পাশাপাশি রেলের উন্নয়ন করেনি। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় যখনই এসেছে রেলের উন্নয়ন হয়েছে।

তিনি বলেন, রেলের জনবল ৭০ হাজার থেকে ২৫ হাজারে নেমেছিল। আমরা তা ২৭ হাজারে উন্নীত করেছি। ১৯৮৬ সাল থেকে রেলে নিয়োগ বন্ধ ছিল। গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে কর্মীদের বিদায় করা হয়েছিল। এ কারণে এ ঘাটতি দেখা দিয়েছিল।

এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিমালা জনিত কারণে স্থগিত আছে। তবে চলতি জানুয়ারিতেই এ সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা হবে।

২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা বিনিয়োগে রেল উন্নয়ন হচ্ছে জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, আমরা সব মিটারগেজকে ব্রডগেজ করব। ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন না করা হলে ট্রেন বাড়ানো যাবে না, ট্রেনের গতি বাড়ানো যাবে না। হাইস্পিড ট্রেন পরিচালনার জন্য সম্ভাব্যতা যাছাই চলছে। ঢাকার ভেতরের সব রেলস্টেশন আরো বেশি ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart