1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:১০ অপরাহ্ন
সদ্য সংবাদ
মোংলা পোর্ট পৌরসভায় মেয়রসহ ১৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর ভোট বর্জন নড়াইল ও কালিয়া পৌর নির্বাচনে আ’লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার বগুড়ায় টিভি দেখতে না দেয়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ঝালকাঠিতে একইভাবে বাবা-ভাইয়ের পর খুন হলেন রুবেল এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর নড়াইল পরিদর্শন করোনায় সারাদেশে ২৪ ঘন্টায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু নড়াইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনসিসির নানা কর্মসূচি মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল ৫২ জনের তালিকা আগামী ২৬ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে হলেও অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপি আমলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়া সেই জাহাঙ্গীর আলম আবারো আলোচনায়

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৬
বিএনপি আমলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়া সেই জাহাঙ্গীর আলম আবারো আলোচনায়

 নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে নতুন করে আবারো আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন বিএনপি আমলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়ার সেই জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বিলাই জাহাঙ্গীর। এবার তিনি “আওয়ামীলীগকে স্বাধীনতা বিরোধী দল’ আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দিয়ে উত্তেজিত করে তুলেছেন নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকদের। এই জাহাঙ্গীর আলমই ৯১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর গোপন আঁতাত করে আওয়ামীলীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছেন। যা ওই সময় ব্যাপক আলোচিত হয়।

সূত্রমতে, ১৯৯১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর চরমভাবে বেকদায় পড়ে নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পুরো জেলার ৫টি আসনেই ছিল বিএনপি এমপি। তার উপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (রূপগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত আব্দুল মতিন চৌধুরী। ফলে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক মাঠে কোনঠাসা হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি-জামায়াতের একের পর এক হামলায় হতাহত হয় অনেক নেতাকর্মী। আওয়ামীলীগের ত্যাগি ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা জীবনবাজি রেখে বিএনপি-জামায়াতের মোকাবেলা করে। কিন্তু জাহাঙ্গীর আলম গংরা গোপনে আঁতাত করে বিএনপি-জামায়াতের সাথে। তারা একটি মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য রীতিমত আওয়ামীলীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামীলীগের মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে একদিকে হতাশা অন্যদিকে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। কিন্তু চাষাড়া কেন্দ্রীক আওয়ামীলীগের অংশটি সেদিন বিএনপি-জামায়াতের সকল হামলা মামলা উপেক্ষা করে রাজপথে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার প্রাণপন চেষ্টা অব্যাহত রাখে।

কিন্তু তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা কালাম হোসেন মৃধা, খাজা রহমত উল্লাহ, শহর যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রওফে বিলাই জাহাঙ্গীর, শ্রমিকলীগ নেতা শরফুদ্দিন সুজন, ছাত্রলীগ নেতা জিএম আরাফাত, জাতির পাটির নেতা বদিউজ্জামান বদু ও জাকিরখান তৎকালীন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম কমিশানের মাধ্যমে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মতিন চৌধুরীর সাথে দেখা করে আওয়ামীলীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিবে বলে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। পরবর্তীতে মামলা থকে খালাস পাওয়ার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ঢাকায় যায়।

সূত্রমতে, ১৯৮৯ সালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়ায় খাজা সুপার মার্কেটে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা কামাল হোসেন মৃধাকে প্রধান আসামী করে ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। নারায়ণগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলার অন্য আসামীরা হলো- আওয়ামীলীগ নেতা খাজা রহমত উল্লাহ, যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রলীগ নেতা জিএম আরাফাত, শ্রমিকলীগ নেতা শরফুদ্দিন সুজন, আবুল খায়ের শান্তু, জাতীয় পার্টির বদিউজজ্জামান বদ ও জাকির খান।

ওই মামলায় কামাল মৃধা, জাহাঙ্গীর আলম গংদের বিরুদ্ধে ৮ বছরের সাজা হয়। এই সাজা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ শহর যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম কমিশনারের দারস্থ হয় তারা। তারা সবাই তাকে জানায় সাজা ও থেকে রেহাই পেলে তারা বিএনপিতে যোগ দিবে এবং আওয়ামীলীগের রাজনীতি করবে না। তখন কমিশনার জাহাঙ্গীর তাদেরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মতিন চৌধুরীর কাছে নিয়ে যায়। তার কাছে গিয়েও তারা একই কথা বলে। পরবর্তীতে বিশেষ ক্ষমতায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় সাজা মওকুপ ও মামলা থেকে তাদের খালাসের ব্যবস্থা করে দেন আব্দুল মতিন চৌধুরী।

এদিকে মামলা থেকে খালাস পাওয়ার পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন। পরে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাতের জন্য গাড়িবহর নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে তারা রওয়ানা হয়ে যান। যা সেদিন নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও শত শত মানুষ দেখেছে। যদিও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে বিষয়টি ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।

ওদিকে প্রঢৌকলের কারণে তাদের পক্ষ থেকে কামাল হোসেন মৃধা খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর সুযোগ পান। এবং বিএনপিতে যোগদান নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও রাখেন কামলা মৃধা।

মামলা থেকে খালাস পাওযা এই আটজনের মধ্যে কামাল হোসেন মৃধা ২০১৯ সালে আওয়ামীলীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য পদ পেয়ে যান। এছাড়া ২০১৭ সালে খাজা রহমত উল্লাহ (মরহুম) জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বিলাই জাহাঙ্গীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ পেয়ে যান। এছাড়া জিএম আরাফাত বর্তমানে মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়া শরফুদ্দিন সুজন মারা গিয়েছেন। আর বদিউজ্জামান বুদ শেষ বদবি বিএনপির রাজনীতি আর জাকির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় হুলিয়া নিয়ে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে দেশ ছাড়েন।

গত ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে বক্তব্য দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামীলীগ স্বাধীনতা বিরোধী দল’। তার এমন বক্তব্যে চরম ক্ষোভ দেখা দেয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে। এক পর্যায়ে ২৪ নভেম্বর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মো: বাদল।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart