1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

ভারতের আন্দোলনরতদের পাশে এমআইটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক রিপোর্ট (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৯৬

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকে (এনআরসি) কেন্দ্র করে গোটা ভারত উত্তাল। এ আইনের বিরুদ্ধে ভারতের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ১৩৬ জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তনী ও কর্মী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিএএ ও এনআরসির ‘অবিচারের’ দিকটি মনে করিয়ে তারা একটি চিঠি দিয়েছে। এতে তারা লিখেছেন, ভারতের গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তিটি আজ বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

ইতোমধ্যে অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চিঠি দিয়ে এনআরসি ইস্যুতে প্রতিবাদরত শিক্ষার্থীদের ওপরে পুলিশের হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন। এমআইটির ছাত্র-শিক্ষক-প্রাক্তনীদের পাঠানো চিঠিতে দিল্লির জামা মসজিদ, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, উত্তরপ্রদেশের আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসসহ অন্যত্র এবং মেঙ্গালুরুর মতো বিভিন্ন এলাকায় নাগরিক বিক্ষোভ দমন ও হত্যার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, এনআরসির সঙ্গে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের অবিচার যুক্ত হয়ে ভারতীয় জাতি ও নাগরিকত্বের সংজ্ঞাকে চিরতরে পাল্টে দেবে। দেশ ও সংবিধানের নির্দেশক নীতি যে বহুত্ব এবং বৈচিত্র, তাকেই দূরে ঠেলে দেবে। অথচ দেশটি প্রায় ৭০ বছর ধরে এই বহুত্ব আর বৈচিত্রের ভারসাম্য ধরে রেখে তার উদযাপন করে এসেছে। এই সবই শিক্ষার্থীদের সিএএ এবং এনআরসি প্রত্যাহারের দাবিতে পথে নামতে একজোট করেছে।

ভারতের ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে এ সংশোধনে গত ৯ ডিসেম্বর ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় একটি বিল (সিএবি) উত্থাপন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ। ব্যাপক বিতর্কের পর সেদিন মধ্যরাতে বিলটি পাস হয়। এরপর গত ১১ ডিসেম্বর রাজ্যসভায়ও বিলটি পাসের পর পরদিন রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় সেটি এখন আইন।

নতুন এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০১৫ সালের আগে প্রতিবেশী পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে ‘ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার’ হয়ে যেসব অমুসলিম (হিন্দু, শিখ, খ্রিষ্টান, জৈন, পারসি ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা) ভারতে গেছে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

বিরোধী দলের এমপিরা পার্লামেন্টে মোদি সরকারের প্রস্তাবিত এ বিলটিতে আপত্তি জানালেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিলটি পাসে কোনো বেগ পেতে হয়নি সরকারকে। বিরোধীরা বলছেন, নতুন আইনের মাধ্যমে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের নাগরিক সুরক্ষাকে উপেক্ষা করা হবে, যা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্য আসামসহ উত্তরপূর্ব ভারতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, আইনটির মাধ্যমে অন্য দেশ থেকে আসা অভিবাসীরা সহজেই এ দেশের (ভারতের) নাগরিকত্ব পাবেন। তাতে সংকটে পড়বেন আদি বাসিন্দারা। তবে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ বলেছেন, আইনটিতে উত্তরপূর্বের অনেকটা অংশই বাদ দেয়া হয়েছে।

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart