1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

ভোটের তারিখ পরিবর্তন : আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে নেবে ইসি

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৫৮

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন পরিবর্তনের বিষয়ে আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবে তা বাস্তবায়ন করা হবে। এমনটি জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর।

এর আগে বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভা করে। সভাশেষে ইসির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানান এ জ্যেষ্ঠ সচিব।

আগামী ৩০ জানুয়ারি এ দুই সিটিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। তাই ভোটের দিন পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্তের বিষয়ে মো. আলমগীর বলেন, ‘এ বিষয়ে আদালতে একটি রিট মামলা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার আদালত সিদ্ধান্ত দেবে। আমরা সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। মামলাটি আদালতে থাকায় এ বিষয়ে কমিশন এখন কিছু বলবে না। আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, কমিশন সেভাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।’

ইসি সচিব আরও বলেন, ‘আমাদের সরকারি ক্যালেন্ডার মেনে চলতে হয়। সরকারি ক্যালেন্ডারে সরস্বতি পূজার বন্ধ দেখানো আছে ২৯ জানুয়ারি। এটা আবার ঐচ্ছিক বন্ধ, কোনো সরকারি বন্ধ নয়। অফিস, আদালতসহ সরকারি সব প্রতিষ্ঠানই খোলা থাকে।’

এদিকে, দুই সিটির ভোটের দিন পরিবর্তন না করার কারণে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির তৈরি হলে সেটার দায় নেবে না বলে জানায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

নির্বাচনের দিন স্থির থাকলে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন কি-না, জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘আদালত নিশ্চয় এ বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন। আদালত দুই পক্ষের কথাই শুনবেন, তারপর সিদ্ধান্ত দেবেন। সেই সিদ্ধান্ত কমিশন মেনে নেবে।’

গতকাল রোববার নির্বাচনী প্রচারে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে কমিশন উদ্বিগ্ন কি-না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমিশনের কাছে এ ধরনের কোনো রিপোর্ট নেই। এটা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। যদি কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তার প্রমাণসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আপত্তি দিতে পারেন। তখন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে যে ক্ষমতা দেয়া আছে, সে অনুযায়ী তিনি ব্যবস্থা নেবেন। যেখানে কমিশনের প্রয়োজন, তা কমিশনে রেফার করলে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা অন্য যেসব সংস্থা আছে সরকারের, সবাইকে কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া আছে যেন সবাই সমভাবে প্রচার করতে পারে।’

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart