1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ০১:০৫ অপরাহ্ন

মিরপুরের মৃত্যু কমিউনিটি ট্রান্সমিশনে কি-না যাচাই করছে আইইডিসিআর

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
  • ৪০ জন সংবাদটি পড়েছেন

রাজধানীর মিরপুরে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছিলেন কি-না তা যাচাই-বাছাই করছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, মিরপুরে করোনায় মৃত ব্যক্তি কমিউনিটি ট্রান্সমিশনে আক্রান্ত হয়েছিলেন কি-না তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সিলেটে মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি করোনায় মারা গেছেন সন্দেহই সৎকারের সব ধরনের ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছিল। তার মৃত্যুর কারণ কোভিক-১৯ কি-না তা সে বিষয়টি রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে।

রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে এক প্রশ্নের জবাবে আইইডিসিআর পরিচালক এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, যখনই আমরা সাসপেক্ট করি তখনই করোনা ধরে নিয়েই সব ধরনের ব্যবস্থাগ্রহণ করি। সিলেটে মৃত রোগীর সৎকার করা হয়েছে যে প্রটোকল ব্যবস্থা সেটা গ্রহণ করেই। তার নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আমরা এখনও হাতে পায়নি। মিরপুরে করোনায় মৃত ব্যক্তি কমিউনিটি ট্রান্সমিশনে আক্রান্ত কি-না সেটা বলার আগে আরও একটু সময় নিচ্ছি। আমরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি।

তিনি বলেন, মিরপুরে একজন রোগী মারা গেছেন যিনি বিদেশ থেকে আসেননি কিংবা তার পরিবারের সদস্য বিদেশ থেকে আসেননি এমনটি বলা হচ্ছে। কিন্তু তার পাশের ভবনে বিদেশ থেকে দুজন এসেছেন এ রকম আমরা সন্ধান পেয়েছি। তাদের নমুনা আমরা সংগ্রহ করেছি। দেখতে চাই যে তাদের মধ্যে সংক্রমণ ছিল কি-না, তার কাছ থেকে সংক্রমণ এসেছে কি-না।

সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আর আরেকজন সন্দেভাজনের ক্ষেত্রে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। এখন পর্যন্ত এক্সটেনসিভ সংগ্রহ করছি। অন্য ক্ষেত্রে আমরা যখন কন্ট্রাক ট্রেসিং করি, লক্ষণ ও উপসর্গ হওয়ার চারদিন আগে থেকে করি। কিন্তু এনাদের ক্ষেত্রে আমরা ১৪ দিন আগে থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। কারণ প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই আমরা চাই যে সোর্স অব ইনফেকশন কোনটা তাকে আইডেন্টিফাই করতে।

তিনি বলেন, কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের বিষয় হচ্ছে যেখানে সোশ্যাল ইনফেকশন আইডেন্টিফাই করতে পারছি না। সোর্স অব ইনফেকশন আইডেন্টিফাই করতে পারলে আমরা পরবর্তী সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারব। সে জন্য আমরা ১৪ দিন পেছনে গিয়ে তাদের সমস্ত তথ্য নিচ্ছি। এমনকি আমরা বিভিন্ন দফতরে যেখানে গেছেন সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যন্ত অবজার্ভ করছি সেখানে সংক্রমণ হতে পারে এমন কেউ সম্ভাব্য আছে কি-না। যখন সব তথ্য পেয়ে যাব, এতে যদি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয় সেটাও আমরা জানাব। যদি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন না হয় কিন্তু সোর্স কী হয়েছিল সেটাও আমরা জানাব।

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart