1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

শীতলক্ষ্যায় কদমরসূল সেতুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৪৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর উপর কদমরসুল সেতুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন এলজিইডি ও প্রকল্পের দুই কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। পরিদর্শন শেষে তারা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ওই সময় তারা নির্মাণ কাজের বিষয়ে আলোচনা করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শীতলক্ষ্যা নদীর ৫নম্বর গুদারাঘাট ও বন্দর ইস্পাহানি এলাকা পরিদর্শন করেন তারা। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কামরুল আহসান, এলজিইডি এর প্রকল্প পরিচালক আবু সালে মো. হানিফ, কোরিয়ার ডিএম ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন লিমিটেডের প্রতিনিধি চো একইয়াং, কোরিয়ার ডংসাং ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন লিমিটেডের প্রতিনিধি কিম কি সাক প্রমুখ।
নাসিক সূত্রে জানাগেছে, ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর একনেকের সভায় কদমরসুল সেতু অনুমোদন দেওয়া হয়। শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর পাঁচ নম্বর ঘাট থেকে বন্দরের একরামপুর হয়ে ১ হাজার ৩৮৫ মিটার দীর্ঘ হবে এই সেতু। যার মূল ব্রীজ ৩০০ মিটার ও এপ্রোচ রোড হবে ৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার। এই সেতু নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনকে ৫৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে মূল সেতুর জন্য খরচ ধরা হয়েছে ৪৩০ কোটি টাকা। বাকি ১৬০ কোটি টাকা ব্যয় হবে জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কাজে।
আরো জানা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ যান চলাচল সুবিধার্থে এই ব্রীজটি উপযুক্ত করার লক্ষ্যে ৪টি বিদেশী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পে কাজ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন মেয়াদ ২ বছর ধরা হলেও ২০২০ সালে এখনো এর টেন্ডারই করা হয়নি। তবে ২০২২ সালের মধ্যে সেতুর দৃশ্যমান কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক আবু সালে মো. হানিফ।
আবু সালে মো. হানিফ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ একটি বাণিজ্যিক শহর। প্রতিদিন শীতলক্ষ্যা নদী পথে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বড়-ছোট জাহাজে মালামাল আসা-যাওয়া করে। তাই এই নদীতে কোনো সেতু নির্মাণের পূর্বে অবশ্যই এই নদী পথে চলাচলকারী জাহাজের কথা ভাবতে হবে। তাই প্রথম থেকে এই সেতুটির পিলারের মাঝের দূরত্ব নিয়ে আমাদের কাজ করতে হয়েছে। বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়াররা ব্রীজে বেশি দূরত্বের স্প্যান নিয়ে কাজ করে না। তাই আমাদের বিদেশী পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে হচ্ছে। যার কারণেই এই সেতুর কাজের জন্য এত সময় লাগছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কদম রসূল সেতুর বিশেষত্ব হবে এ সেতুর একটি থেকে আরেকটি স্প্যানের দূরত্ব ২০০ মিটার রাখা হবে। বাংলাদেশে এমন দুটি সেতু রয়েছে যার স্প্যান দূরত্ব ২০০ মিটার। একটি কর্ণফুলী নদীতে এবং অন্যটি বরিশালে এখনো নির্মানাধীন।’

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart