1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

হেফাজত ইসলামের তাণ্ডবে গুলি খরচ না করে ট্রাংকে: এএসআই কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৮৩

রাজধানীতে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব চলাকালীন মতিঝিল এলাকায় দায়িত্বরত অবস্থায় ২৪টি গুলি খরচ না করে ট্রাংকে রেখে দেয়ার অপরাধে গ্রেফতার পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আসাদুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষ তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আসাদুজ্জামানকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। অস্ত্র আইনে করা মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডল তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আসাদুজ্জামান বর্তমানে ডিএমপির পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট (পিওএম) পশ্চিমে এএসআই হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার বিপি নম্বর-৮২০২০৭৯৯১৮। আসামির রিমান্ড আবেদন থেকে জানা যায়, ২১ জুলাই বাবুপুরা পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় রাষ্ট্রপতির প্রটোকল ডিউটির সময় শাহবাগ থানার পুলিশ গণিরোডের পুলিশ প্রটেকশন বিভাগের এটিএম বুথের পেছনে একটি ট্রাঙ্ক দেখতে পায়। ট্রাঙ্কের নিচের অংশ জীর্ণশীর্ণ হওয়ায় কিছু অংশ ভেঙে পড়লে ট্রাংক থেকে সাতটি শর্টগানের কার্তুজ পড়ে যায়। এরপর শাহবাগ থানার পুলিশ ট্রাংকটি তল্লাশি করে আরও ১৭টিসহ মোট ২৪টি কার্তুজ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে ট্রাঙ্কটির মালিককে খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে বুধবার (২২ জুলাই) আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, ২০১৩ সালে তিনি মিরপুর পিওএম উত্তরে কর্মরত ছিলেন। সে বছর মে মাসে হেফাজত ইসলামের তাণ্ডব চলাকালীন মতিঝিল এলাকায় ডিউটির সময় সরকার থেকে দেয়া তার কাছে থাকা অস্ত্র-গুলি থেকে কয়েক রাউন্ড ফায়ার করেন। নিয়মানুসারে ডিউটি শেষে পিওএম অস্ত্রাগারে অবশিষ্ট গুলি জমা দেয়ার কথা থাকলেও, আন্দোলনের সময় গুলিগুলো শেষ হয়েছে বলে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগত ট্রাংকে কার্তুজগুলো রেখে দেন। ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পদোন্নতি হলে তিনি তার ট্রাঙ্ক-বোর্ডিংসহ আব্দুল গণি রোডের পিসিআরের ২ নম্বর ভবনের ষষ্ঠ তলায় স্থানান্তর হন।

ফেসবুকে আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart