আজ: শনিবার, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, শীতকাল, ২৯শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী, সন্ধ্যা ৬:৪৫

বিকল্প রাজধানী স্থাপনের প্রস্তাব

মো. এমদাদুল ইসলাম (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার রূপলাবণ্যে আকৃষ্ট হয়ে একদা মোঘল শাসকরা এখানে সুবেবাংলার রাজধানী স্থাপন করে। কিন্তু ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যবসা করতে এসে কৌশলে মোঘল শাসকগোষ্ঠীকে পরাভূত করে প্রায় দু’শত বছর এ দেশে রাজত্ব করে। এরপর পাক-ভারত বিভক্তির পর পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করে দু’যুগ। আর ১৯৭১ সাল থেকে চলছে স্বদেশিদের শাসন।

ঢাকার নগরায়ণের এত দীর্ঘ ইতিহাস হলেও বারবার ক্ষমতার হাতবদল, ভূ-রাজনীতি, উন্নয়নে বৈষম্য ও নিয়ন্ত্রণহীনতায় এখানে কখনও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটেনি। আবার যা কিছু উন্নয়ন হয়েছে, তাও বিচ্ছিন্ন ও বিশৃঙ্খলায় পর্যবসিত।এ‌ছাড়া নেতৃত্বের অদূরদর্শিতায় দেশের সবকিছু ঢাকামুখী হয়ে বর্তমানে মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে এলোপাতাড়ি নগরায়ণ, ভাঙাচোরা সড়ক, যত্রতত্র হাট-বাজার, ফুটপাথ এবং অনেকক্ষেত্রে সড়কও বেদখল, সড়কের ওপর গাড়ি পার্কিং, জলবদ্ধতা, গণপরিবহনের অনুপস্থিতি ইত্যাদির কারণে নগরজুড়ে ভয়াবহ যানজট। এই অবস্থায় ইদানিং ঢাকায় জীবন ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে যাওয়াসহ দেশে পর্যটকদের আগমন হ্রাস পেয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে।

দীর্ঘদিন পর নগরীতে একটি গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার যেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তাও বিভিন্ন সংস্থার অসমন্বিত উন্নয়নের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই নগর বিশেষজ্ঞদের অনেকে ঢাকাকে ’মৃত নগরী’ আখ্যায়িত করে একটি বিকল্প রাজধানী প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছেন।

১৯৯০ সালে অগণতান্ত্রিক সরকারের পতনের পর রাজধানী ঢাকার ভবিষ্যত পরিচালন (সুশাসন) ব্যবস্থার ওপর জাতীয় ভিত্তিতে প্রণীত নগর বিশেষজ্ঞদের টাক্সফোর্স প্রতিবেদনে ঢাকায় নগরীর সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে মেট্রোপলিটন সরকার বা ’নগর সরকার’ প্রতিষ্ঠা, আধুনিক নগর পরিকল্পনার প্রবর্তন, গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ঢাকা হতে অনেককিছু বিকেন্দ্রীকরণের জন্য সুপারিশ করা হয়।

তারই আলোকে ১৯৯২-৯৫ সালে তিন স্তরবিশিষ্ট ঢাকার দ্বিতীয় মহাপরিকল্পনা (ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান-ডিএমডিপি) প্রণীত হয়, যেন নগরীর ওপর চাপ কমানোর জন্য ঢাকার আশপাশে কয়েকটি নতুন উপশহর প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। এরপর ওই ভিত্তিতে বৃহত্তর ঢাকা ও এর আশপাশের প্রভাবিত এলাকার ওপর একটি সমন্বিত পরিবহন সমীক্ষা পরিচালনা করে স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (STP) বা কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা প্রণীত হয়।

ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ নগরীর সমন্বিত উন্নয়নে বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাবিত ’নগর সরকার’ প্রতিষ্ঠায় অনেক চেষ্টা চালান। কিন্তু তিনি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, বিশেষ করে কিছু মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অসহযোগিতায় কামিয়াব হননি। তখন বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি কিছুদিন ঘন-ঘন মিলিত হলেও বিভিন্ন সংস্থার অসহযোগিতায় একপর্যায়ে তা মুখ থুবড়ে পড়ে।

২০০২-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি জোট সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ’ঢাকা শহরের সুশাসন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন মুখ্যসচিব ড. কামালউদ্দিন সিদ্দিকী সেলটির প্রধান উপযাজক ছিলেন।  তিনিও অনেক চেষ্টা চালিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অধীনে চলমান ও প্রস্তাবিত উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্ময় সাধন করতে পারেননি। তারপর ১/১১-এর সেনাশাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও ঢাকার সমন্বিত উন্নয়নের প্রচেষ্ঠায় সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের সভাপতিত্বে সেনাসদরে একটি সেল প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখান থেকে সামরিক-বেসামরিক উদ্যোগে অনেক কিছু করার চেষ্টা চলে। কিন্তু সবকিছু ’যেই কদু সেই লাউ’তে রয়ে যায়।

ডিএমডিপি’র স্ট্রাকচার প্ল্যানে ঢাকার চতুর্দিকে প্রস্তাবিত নতুন শহরগুলোর সঙ্গে  যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তথা নগরীর অভ্যন্তরে যানজট নিরসনে এসটিপিতে ৩টি সড়কভিত্তিক ও ৩টি রেলভিত্তিক রুটের সমন্বয়ে একটি গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রস্তাবিত কার্যক্রমের বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে নতুন করে কয়েকটি সংস্থাও প্রতিষ্ঠা করা হয়।

এরমধ্যে ব্রিজ অথরিটির (বিবিএ) অধীনে প্রথম পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে (পিপিপি) কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত একটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং বিআরটিএ-এর অধীনে জাপান সরকারের সার্বিক সহায়তায় উত্তরা থেকে ফার্মগেট হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত একটি মেট্রোরেল (এমআরটি-৬) নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রেও ব্যত্যয় ঘটিয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক তাদের অর্পিত দায়িত্বের বাহিরে এসে রাজধানীতে স্ব-স্ব পরিকল্পনায় ফ্লাইওভার/এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে জড়িয়ে উক্ত দু’টি প্রকল্পের বাস্তবায়নসহ এসটিপিতে সুপারিশকৃত অন্যান্য প্রস্তাবনাগুলোকে সমস্যসংকুল করে ফেলা করা হয়েছে। উদ্ভুত অবস্থায় নগরীর কেন্দ্রীয় এলাকায় প্রস্তাবিত সার্কুলার মেট্রো রুটটি আর আদৌ নির্মাণ করা যাবে কি না—এ নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে!

যেভাবে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে, ঢাকায় একটি বিকল্প রাজধানী প্রতিষ্ঠা নিয়েও। ডিএমডিপি প্রণয়নের প্রাক্কালে ১৯৮৭-৯০ সালে রাজউক কর্তৃক নিয়োজিত উপদেষ্টাগণ রাজধানীর অদুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও গাজীপুরের কালীগঞ্জ এলাকাধীন অনুন্নত বিস্তীর্ণ জায়গার ওপর সম্ভাব্যতা যাচাই করে সেখানে একটি বড়মাপের নতুন শহর স্থাপনের উপযোগী বলে মতামত দেন।

এয়ারপোর্ট রোড ও প্রগতি সরণীর সংযোগ স্থল  থেকে  মাত্র ৬.৫ কি.মি. পূর্বে বালু নদী ও শীতলক্ষ্যা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে ’পূর্বাচল’ নামে এই নতুন শহরটি গড়ে তোলার পক্ষে তারা মতামত দেন। ১৯৯৬ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তিনি ওই প্রকল্পটির জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেন। ৬১৫০ একর জমির ওপর পরিকল্পিত নতুন শহরটির প্রথম পর্যায়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার ৪৫০০ একর এবং সংযোগ সড়কটির নির্মাণে প্রয়োজনীয় ভূমি দখল যথাসময়ে সম্পন্ন হয়।

আমি উক্ত প্রকল্পটির সঙ্গে শুরু থেকে জড়িত ছিলাম। প্রকল্প এলাকায় উচু-নিচু জমির সমন্বয়ে সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ লক্ষ্য করে আমি আমার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় সেখানে একটি আধুনিক গ্রিন সিটি বিনির্মাণ এবং প্রকল্পটির দ্রুত  বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এটিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামকরণে ’মুজিব নগর’ নামে প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করি—যেভাবে বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের উপনগর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকায় অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ভয়াবহ যানজটের কারণে এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো  এই নতুন উপশহরটিকে ঢাকার বিকল্প ও প্রশাসনিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলারও প্রস্তাব করি এবং বিভিন্ন সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে এর সম্ভাব্য রূপরেখা তুলে ধরি। কিন্তু আমার প্রস্তাবনা বিবেচনায় না নিয়ে তখন সেখানে গতানুগতিক নিয়মে প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এরপর ২০০২-০৩ সালে বিএনপি জোট সরকারের আমল থেকে সেখানে ধারাবাহিকভাবে সব সরকারের আমলেই প্লট বরাদ্দ অব্যাহত থাকে।

তবু, আমি পূর্বাচল প্রকল্পটির একটি সমন্বিত উন্নয়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ে আমার প্রস্তাবটি তুলে ধরতে থাকি। বিশেষ করে নগরীর প্রান্তসীমানায় বাস্তবায়নাধীন শহরটিকে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলে সেখানে মালয়েশিয়ার ’পুত্রজায়া’র মতো একটি প্রশাসনিক রাজধানী বিনির্মাণের জন্য প্রস্তাব পেশ করে আসছি। কিন্তু বরাবর একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে (যারা সেখানে প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন এবং গতানুগতিকার বাইরে তারা নতুন কিছু প্রতিষ্ঠায় বিমুখ ও অনুৎসাহী) আজ পর্যন্ত বিষয়টি আর বেশি গড়াতে পারেনি। তারপরও আমি এখনও আশাবাদী যে, সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে এখনও পূর্বাচলকে ঢাকার বিকল্প প্রশাসনিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

আমার এই প্রত্যয়ের কারণ হলো, পূর্বাচল প্রকল্পকে ঘিরে বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন নামে আরও অনেক শহর নির্মাণের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে, যার কোনওটি এখনও অনুমোদন পায়নি। এমতাবস্থায়, মূল পূর্বাচল ও এর চতুর্দিকে প্রস্তাবিত বেসরকারি প্রকল্পগুলোকে যৌথপ্রয়াসে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা ও উন্নয়নের ব্যবস্থা করা হলে এখনও সেখানে ঢাকার একটা বিকল্প নগর সৃষ্টি করা সম্ভব।

ইতোমধ্যে পূর্বাচল প্রকল্পের এপ্রোচে কুড়িল মোড়ে দৃষ্টিনন্দন একটি ট্রাফিক ইন্টারচেঞ্জসহ ৩০০ ফুট চওড়ার সংযোগ সড়কটির প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে পূর্বাচল প্রকল্পের ওপর দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর কাঞ্চন ব্রিজ থেকে টঙ্গী-গাজীপুরমুখী ‘ঢাকা বাইপাস সড়ক’টি নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে সড়কটিকে চারলেনে উন্নীতকরণসহ পূর্বাচল সংযোগ সড়কের ওপর দিয়ে একটি মেট্রোরেল রুট নির্মাণের কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি সরকার ইতোমধ্যে পূর্বাচল প্রকল্প এলাকায় চীন সরকারের সহায়তায় একটি বৃহদাকারের নতুন বাণিজ্য কেন্দ্র নির্মাণের ব্যবস্থা করেছে, যেখানে আগামীতে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে একটি আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণেরও ঘোষণা দিয়েছেন। তাছাড়া সেখানে একটি কূটনৈতিক এলাকা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি গলফ কোর্স নির্মাণসহ অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা সংরক্ষিত আছে।

অতএব, পূর্বাচলকে ঢাকার বিকল্প প্রশাসনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সেখানে মতিঝিল-দিলকুশা-হাটখোলা-গুলিস্তানের ভেতরে আবদ্ধ রাষ্ট্রপতি ভবন, তেজগাঁও-বিমান বন্দর সড়ক-বিজয় সরণীর মহাযানজট থেকে প্রধান মন্ত্রীর দফতর, বেলি-মিন্টু রোড থেকে মন্ত্রী পাড়া, গুলশান-বনানী-বারিধারার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের দফতর ও বাসভবনগুলো স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা যায়। আব্দুল গনি রোড ও তোপখানা রোডের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সচিবালয়ও পূর্বাচল এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়। এ জন্য শহরটির যথাযথভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সমন্মিতভাবে উন্নয়নের জন্য একটি ‘সমন্বিত কর্তৃপক্ষ’ গঠন করা যেতে পারে। বিষয়টির ঘনিষ্ট মনিটরিং তথা দিক-নির্দেশনা প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নগর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি Think Tank cum Urban Commission-ও গঠন করা য়ায়। আসলে সবকিছু নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর, যার আন্তরিকতা ও অদম্য প্রচেষ্টায়  বর্তমানে স্ব-অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ চলছে।

লেখক : রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী

Share

Author: 24bdnews

4813 stories / Browse all stories

Related Stories »

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে আমরা »

ছবি সংবাদ »

নিউজ আর্কাইভ »

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
18192021222324
25262728293031
       
  12345
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
24252627282930
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
17181920212223
24252627282930
       
  12345
2728     
       
      1
23242526272829
3031     
   1234
262728293031 
       
   1234
12131415161718
       
      1
3031     
29      
       
      1
16171819202122
30      
   1234
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       

সবশেষ সংবাদ »

সারাদেশ »