‘ইসিকে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে’

0
5

ঢাকা (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারের ক্যাডার বাহিনীদের ব্যবহার করে সরকার পৌর নির্বাচনকে নিজেদের অনুকুলে দখল করে নেওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

দলটির বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘এই অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।’

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রবিবার সকালে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘পৌর নির্বাচনে নেতিবাচক জনমত টের পেলে জনবিচ্ছিন্ন সরকার মধ্যযুগীয় বর্বরতা নিখুতভাবে অনুসরণ করছে। এ নির্বাচনকে নিজেদের অনুকুলে দখল করে নেওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছে। আর এই দখলবাজী নির্বিঘ্ন করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও দলের ক্যাডাররা প্রাইভেট মার্সেনারীর মতোই আচরণ করছে।’

নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের অঙ্গুলীর ইশারায় কাজ করছে না সেটি প্রমাণ করতে হবে। প্রকৃত গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে নির্বাচন কমিশনকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন ভুমিকার কোনো বিকল্প নেই। এটি করতে না পারলে তা গণতন্ত্রের জন্য বিপদ ডেকে আনবে এবং ইসি একটি সাংবিধানিক আগাছায় পরিণত হবে।’

‘দেশে এখন আওয়ামীকরণ নয়, হাসিনায়ন চলছে’ এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তির দু:শাসন থেকে দেশবাসীকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চার জন্য স্বচ্ছা নির্বাচন অপরিহার্য।’

‘গণতন্ত্রের ভাগ্য নিয়ে তাস খেলছেন- জোর করে আঁকড়ে ধরা ক্ষমতাসীনরা’ এমন অভিযোগও করেন রিজভী।

দেশে গুম, গুপ্তহত্যা, বিচার বহির্ভুত হতাকাণ্ড বেড়ে চলেছে, দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এই অবস্থায় পৌর নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ এবং জনগণ কতটুকু নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারবে তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সকল প্রকার ভয়ভীতি ও উৎপীড়ন উপেক্ষা করে জনগণ এবং নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্যাতন, আক্রমণ ও গণগ্রেফতার বেড়েই চলেছে। ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, যশোর, ফরিদপুর, নোয়াখালী, ফেনীতে সরকার সমর্থকদের নির্যাতনে নেতাকর্মীরা বাড়ি ছাড়া হয়ে পড়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ফজলুল হক মিলন, কাজী আসাদুজ্জামান, আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন, শিরিন সুলতানা, বেলাল আহমেদ, শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here