‘পৌর নির্বাচনের বারোটা বাজানোর চেষ্টা চলছে’

0
4

ঢাকা (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): নির্বাচন কমিশনের জ্ঞাতসারে প্রশাসনের নাকের ডগায় পৌর নির্বাচনের বারোটা বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘পৌর নির্বাচনের আগে নির্বিচারে গণগ্রেফতার দেশে এখন ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যৌথ অভিযানে দলের নেতাকর্মীদের প্রতিনিয়িত আটক করা হচ্ছে। এতে নির্বাচনের পরিবেশ নির্মল ও স্বচ্ছতার পরিবর্তে গন্ধময় হয়ে উঠছে। এ ধরনের পরিস্থিতি টিকিয়ে রেখে কোনোভাবেই স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নয়।’

সরকার বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে ‘ষড়যন্ত্র করে’ দলটির নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে তাদের গ্রেফতার করছে বলেও দাবি করেন রিজভী।

“পৌর নির্বাচনে সরকারের ‘লাগামহীন লোভের’ আশা পূরণ করতে ইসি পূর্বের মতো অনুগামী ভূমিকা পালন করছে” উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইসি যদি পূর্বের মতো ন্যক্কারজনক ভূমিকায় অবতীর্ণ থাকে, তাহলে মৃতপ্রায় গণতন্ত্রের জানাজা পড়তে আর বেশী সময় লাগবে না।’

‘সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা প্রতিনিয়িত নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে’ এমন অভিযোগ তুলে রিজভী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সতর্কতা উপেক্ষা করে তারা (মন্ত্রী-এমপিরা) প্রচারণা চালাচ্ছেন। অথচ ইসি (নির্বাচন কমিশন) শুধু শোকজের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রেখেছে।’

সরকারের অনুগত হয়ে দায়িত্ব পালন না করে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য ইসির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসির প্রতি আহ্বান, আগামী পৌর নির্বাচনে অশুভ কর্মের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে নিজের নীতিবোধকে কলঙ্কিত করবেন না। আর যদি ক্ষমতাসীনদের প্রদর্শিত পথ ধরেই হাঁটেন, তাহলে ইতিহাসে ধান্ধাবাজ বলেই অভিহিত হবেন।’

অন্যান্যের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের শীর্ষ নেতাসহ সকল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার এবং গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে- ডা. এ জেড এম জাহিদ হাসান, সানাউল্লাহ মিয়া, আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here