পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলার নেপথ্যে যারা

0
7

ডেস্ক সংবাদ (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জঙ্গিগোষ্ঠী জাইশ-ই-মুহাম্মাদ। কিন্তু এরা কারা? এর আগে আলোচনায় না থাকা এই জঙ্গিগোষ্ঠী হঠাৎ করে কেনইবা হামলা চালালো ভারতের বিমানঘাঁটিতে?

সম্ভবত এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আবাসিক কার্যালয় হোয়াইট হাউসের প্রাক্তন শীর্ষ কর্মকর্তা ব্রুস রিডেল। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থায় (এনএসএ) কাজ করা ব্রুস রিডেল স্পষ্ঠ ভাষায় দাবি করলেন, পাঠানকোট হামলার নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইনটেলিজেন্স (আইএসআই)।

ব্রুস রিডেলের ভাষ্য, ১৫ বছর আগে জাইশ-ই-মুহাম্মাদ নামের জঙ্গিগোষ্ঠী সৃষ্টি করে আইএসআই। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি হঠাৎ করে পাকিস্তান সফর করার পর পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনা করে আইএসআই। দুই দেশের মধ্যে বৈরিতা প্রশমনের উদ্যোগ ভেস্তে দিতে এ কাজ করেছে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দারা।

ভারত-পাকিস্তানের কারগিল যুদ্ধের সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্রুস রিডেল। গত শনিবার ভোরে পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা সম্পর্কে দ্য বিস্টে একটি নিবন্ধ লিখেছেন রিডেল।

দ্য বিস্টের নিবন্ধে রিডেল লিখেছেন, পাঞ্জাবের পাঠানকোট ও আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফে ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলা চালিয়েছে জাইশ-ই-মুহাম্মাদ। আর এই সংগঠনটি ১৫ বছর আগে আইএসআই তৈরি করে। ‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ও অন্যান্য জ্ঞানগর্ভ উৎস’ তার লেখায় উদ্ধৃত হয়েছে।

সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গড়ে ওঠা আইএসআই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর জেনারেলদের অধীনে পরিচালিত হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতীয় হুমকিকে পুঁজি করে বিশাল বাজেট বাগিয়ে নেয় এবং পারমাণবিক কার্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করে।

ভারতের সঙ্গে যেকোনো উপায়ে উত্তেজনা কমে যাওয়া মানে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিতে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ খর্ব হওয়া। এখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ‘ভালো সন্ত্রাস’ ও ‘খারাপ সন্ত্রাস’-এর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে চলেছে। তাদের দৃষ্টিতে জাইশ-ই-মুহাম্মাদ ও তস্কর-ই-তৈয়্যবা ‘ভালো সন্ত্রাস’ এবং তেহরিক-ই-তালেবান ‘খারাপ সন্ত্রাস’।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here