জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২ থেকে ৮ মার্চ

0
4

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):জাটকা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গতবারের মতো এবারও ২ থেকে ৮ মার্চ ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ’ উদযাপন করবে সরকার। এবারের জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের স্লোগান হচ্ছে ‘জাটকা মাছ বাড়তে দিন, ফিরবে মোদের সোনালি দিন’।রাজধানীর মৎস্য ভবনে বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী ছায়েদুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইলিশের স্থায়িত্বশীল উৎপাদন নিশ্চিত করতে জাতীয়ভাবে জাটকা সংরক্ষণে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- জাটকা রক্ষায় নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান, জাটকা আহরণে বিরত অতিদরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ, জাটকা নিধন বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, প্রতিবছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদযাপন এবং মা ইলিশ রক্ষায় প্রধান প্রজনন মৌসুমে ১৫ দিন প্রজনন এলাকাসহ সারাদেশে ইলিশ আহরণ, বিপণন ও পরিবহন বন্ধে আইনের বাস্তবায়ন।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১১ ভাগই ইলিশ। জিডিপি-তে ইলিশের অবদান প্রায় ১ ভাগ। উপকূলীয় মৎস্যজীবীদের প্রায় ৫ লাখ লোক ইলিশ আহরণে সরাসরি নিয়োজিত। আর পরিবহন, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরি, বরফ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রফতানি কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২০ থেকে ২৫ লাখ ইলিশ আহরণে জড়িত।’

মন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরে দেশে প্রথমবারের মতো জাটকাসহ অন্যান্য মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ জাল নির্মূলে ৪ থেকে ১৮ জানুয়ারি ১৫ দিন ভোলা, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায় ‘সম্মিলিত বিশেষ অভিযান’ পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে তিন জেলায় ১৬৪টি মোবাইল কোর্ট ও ৩২৯টি অভিযানে করে ৮৮৩টি বেহুন্দি জাল এবং ৭৭৭টি অন্যান্য জাল আটক করে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদানের আওতায় গত ছয় বছরে ২ লাখ ২৪ হাজার ১০২টি পরিবারকে মোট ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮১ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল দেওয়া হয়েছে। শুধু জাটকা আহরণ বন্ধের সময় নয় চলতি বছর মা ইলিশ বন্ধের সময়ও ভিজিএফ চাল দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই চালের পরিমাণ ৪০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৮০ কেজি দেওয়ার প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জাটকা আহরণে বিরত জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৩২ হাজার ৫০৯ জেলেকে ১০ হাজার টাকা মূল্যের উপকরণ দেওয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসস্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সচিব মো মাকসুদুল হাসান খান, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here