না’গঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৫ খুন মামলার চার্জশীট দাখিল

0
4

 নারায়ণগঞ্জ (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরাইলে একই পরিবারের ৫জনকে নৃসংশভাবে হত্যার ঘটনায় চার্জশীট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে। হত্যাকা-ের আড়াইমাস পর বুধবার দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  আদালতে ওই চার্জশীট দাখিল করেন। চার্জশিটে ভাগ্নে মোহাম্মদ মাহফুজকেই একমাত্র আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মাহফুজ ইতোমধ্যে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক (তদন্ত) এম এ খায়ের জানান, মামলায় ৩০জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। আলামত দেখানো হয়েছে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত শিল পাটার পুতাসহ ২৫টি আলামত।
চার্জশীট দাখিলের আগে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদউদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা গত ৮০ দিন ধরে চুলচেরা বিশ্লেষণের মধ্যে দিয়ে তদন্ত করে চার্জশীটি দাখিল করতে যাচ্ছি। এ হত্যাকান্ডের পিছনে মূলত আবেগ ও সামাজিক অবক্ষয় কাজ করেছে। হত্যাকান্ডটি একজনই সংঘঠিত করছে। হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করে আমরা এ চার্জশীট জামা দিচ্ছি। আমরাও চাই অপরাধীর উপযুক্ত বিচার হোক। এজন্যই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাখিল করছি। এতে আশা করা যাচ্ছে বাদী পক্ষ যথার্থ বিচার পাবে।’ প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ) মোখলেছুর রহমান, মোহাম্মদ জাকারিয়া (ডিএসবি)সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গত চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারী রাতে শহরের বাবুরাইল খানকা সংলগ্ন এলাকায় থেকে তাসলিমা (৩৫), তার ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫), তাসলিমার ছোট ভাই মোরশেদুল (২২) ও তার জা লামিয়া (২৫) এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন ১৭ জানুয়ারী সকালে নিহত তাসলিমার স্বামী শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে ভাগ্নে মাহফুজ, ঢাকার কলাবাগানের নাজমা ও শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে তাদেরকে সন্দেহ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিন রাতেই মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন গ্রেপ্তার করা হয় শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে মাহফুজকে। পরে ২১জানুয়ারী আদালতে মাহফুজ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here