শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মন্ত্রনালয়ের

0
5

ঢাকা (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি করায় শরীয়তপুর আঙ্গারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার কামালের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণে শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সালমা জাহানের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। ১২ মে ইস্যুকৃত চিঠির অনুলিপি শরীয়তপুর জেলা প্রশাসককেও দেওয়া হয়। চিঠিতে বিক্রি করা জমি ফিরিয়ে আনতে মামলা দায়েরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

চিঠির অনুলিপি প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল হুসাইন খান দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিধি বহির্ভূতভাবে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি করায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাবতীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।

শরিয়তপুর জেলা শিক্ষা অফিসার নলীনি রঞ্জন রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দ্য রিপোর্টকে বলেন, এ বিষয়টি আমি অবহিত নই।

জানা গেছে , সরকার বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়াই আঙ্গারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি বিদ্যালয়ের নামে থাকা ৩ একর ৭১ শতাংশ (প্রায় ১২ বিঘা) জমি বিক্রি করে। পানির দরে নিজেদের পছন্দের লোকের কাছে ওই জমি বিক্রি করা হয়।জাল পর্চা তৈরী ও জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে অন্তত ৮ কোটি টাকা মূল্যের এই জমি মাত্র দেড় কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। আবার ওই টাকাও আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)ফরিদপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মলয় কুমার সাহা বাদী হয়ে ২০১৪ সালের ৬ জুন স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ ১৫ জনকে আসামী করে পালং মডেল থানায় পৃথক দুইটি মামালা দায়ের করেন। মামলা দুইটির একটি বর্তমানে বিচারাধীন ও অপরটি তদান্তাধীন রয়েছে।

স্কুলের জমি বিক্রির এ ঘটনায় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল হুসাইন গত ১০ এপ্রিল শিক্ষা সচিব বরাবর ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার কামালকে বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও জমি বিক্রয়ে রেজিষ্ট্রিকৃত দলিলটি বেআইনী ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট দেওয়ানী আদালতে মামলা দায়েরের সুপারিশ করে একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।

জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষা অধিদফতরের মহা পরিচালককে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here