মিথ্যা অভিযোগে মীর কাসেমের সাজা হয়েছে : খন্দকার মাহবুব

0
4

আদালত প্রতিবেদক (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ) : মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতা মীর কাসেম আলীর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, “আপিল বিভাগ মিথ্যা অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন।” মঙ্গলবার মীর কাসেমের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন খন্দকার মাহবুব।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “এই রায় কতটা সঠিক তা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বিশ্বের আইনাঙ্গনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাই বিবেচনা করবেন।”
এর আগে সকাল ৯টা ৪ মিনিটে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তার পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে এ রায় দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ।
বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
এ রায়ের বিষয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “কিশোর জসিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। কিন্তু জসিম হত্যায় তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে কোনো প্রমাণ নেই।”
তিনি বলেন, “সাক্ষীরা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তাতে মীর কাসেম আলী সরাসরি জড়িত ছিলেন, এ ধরনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।”
খন্দকার মাহবুব প্রশ্ন করে বলেন, “মীর কাসেম একজন সমাজসেবক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন হাসপাতাল, ব্যাংক, গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠাতা। পরবর্তী সময়ে যদি দেখা যায়, এ সাজা সঠিক হয়নি, তাহলে কী হবে?”
খন্দকার মাহবুব বলেন, “সাক্ষীরা জবানবন্দি দেয়ার পর আদালত অসহায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করে এ রায় দিয়েছেন।”
তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত এ আইন তৈরি করা হয়েছিল ১৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য। কিন্তু এ আইনে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিচার করা হচ্ছে।”
মীর কাসেমের আইনজীবী বলেন, “আদালত চত্বরে বিভিন্ন লোক স্লোগান ও ফাঁসির দড়ি নিয়ে হাজির হয়েছে। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে একটু ‘টুঁ’ শব্দ হলেও বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর পাঠানো হতো।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here