নীলফামারীতে ৩০শিশুসহ ৩৩জনকে আটকের পর মুক্তি

0
3

নীলফামারী (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ) : সন্দেহ থাকায় ঢাকাগামী ৩০শিশুসহ ৩৩জনকে আটক করার পর ছেড়ে দিয়েছে নীলফামারীর র‌্যাব-১৩। রবিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে নীলফামারী বাসটার্মিনালে ঢাকাগামী “মায়ের আচঁল” পরিবহন থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের কাছে আটকের মুল তথ্য জানানো হয় র‌্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২’র পক্ষ্য থেকে।
র‌্যাব সুত্র জানায়, ঢাকাগামী ওই বাসে ৩০জন শিশুকে কোথায় যেন নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ৩০শিশুসহ তিন দলনেতাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়।
পরে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জে আলহামদুলিল্লাহ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজের জন্য যাচ্ছিলো তারা। ৩০শিশুর মধ্যে ১১জন আগে থেকেই ওই ফ্যাক্টরীতে এবং নতুন করে আরো ১৯জনকে নিয়ে যাচ্ছিলো পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার গ্রাম থেকে।
সোনাহার ইউনিয়নের মল্লিকাদহ ও কামারদহ গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান(২২), আকছাদুল ইসলামের ছেলে মফিজার রহমান(২১) ও আশরাফ আলীর ছেলে নুরনবী ইসলামের(২০) নেতৃত্বে শিশুদের শ্রমিক হিসেবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো তাদের।
সোনাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাহিমুল ইসলাম বুলবুল জানান, ফ্যাক্টরীতে আরো শ্রমিক লাগবে মালিকের সাথে কথা বলে ওই তিনজন নতুন করে ১৯জনকে নিয়ে যাচ্ছিলো। একমাত্র কাজের জন্যই তারা যাচ্ছিলো। আর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি ঘটনায়।
র‌্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২’র কোম্পানী কমান্ডার মেজর খুরশিদ আনোয়ার জানান, শিশু ও নেতৃত্বদানকারী এবং ফ্যাক্টরী মালিকের সাথে কথা বলে নিশ্চিত নিশ্চিত হওয়া যায় তারা কাজের জন্য যাচ্ছিলো অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়। তবে তারা শিশু শ্রমিক হিসেবে গেলেও মালিক মিজানুর রহমান শিশু শ্রমিক নিয়ে যেতে বারণ করেছিলেন নেতৃত্বদাতাদের।
ক্যাম্পে আনার পর আটকদের নৈশভোহ করিয়ে মধ্যরাতেই ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া তাদের।
এদিকে শিশু আটকের ঘটনায় গোটা শহরে শিশু পাঁচার সন্দেহে তোলপাড় শুরু হয়। উৎসুক মানুষরা ভীড় করতে থাকেন বাসটার্মিনাল ও র‌্যাব ক্যাম্পে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here