বাংলাদেশ-চীন প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে অনুসমর্থন

0
4

ঢাকা (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ) : বাংলাদেশে ও মিয়ানমারের মধ্যে নাফ নদীর সীমানা নির্ধারণ নিয়ে চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভাশেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, এতদিন মিয়ানমারে কোনো রাজনৈতিক সরকার ছিল না। সামরিক সরকার ক্ষমতায় ছিল। ওই সময়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের নাফ নদীর সীমানা নির্ধারণ নিয়ে চুক্তি হয়। কিন্তু চুক্তির খসড়া দুই দেশের কেউই অনুমোদন করেনি। এখন মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার বাংলাদেশকে চুক্তির খসড়া অনুমোদনের অনুরোধ করেছে। ফলে মন্ত্রিসভা খসড়াটি অনুমোদন দেয়। এর ফলে নাফ নদীতে বাংলাদেশের সীমানার কোনো পরিবর্তন হয়নি বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ দশকে মিয়ানমারের যে আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা চলছিল তা দূর করতে চেষ্টা চালাচ্ছে দেশটি। আগে সামুদ্রিক সীমানার অধিকার নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ আন্তর্জাতিক সালিশের মাধ্যমে সমাধান হওয়ার পরও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের শীতলতা অব্যাহত ছিল। তবে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর উল্লেখযোগ্যভাবে মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সঙ্গেও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তাবিত ‘উৎপাদনশীলতা সহযোগিতা উন্নয়ন’ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অনুসমর্থন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তাবিত উৎপাদনশীলতা সহযোগিতা উন্নয়ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অনুসমর্থন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এটি মূলত দুই দেশর ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের জন্য। ছোট একটি চুক্তির ফ্রেম অব এগ্রিমেন্ট তৈরি করা হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রপতি আসবেন, তার উপস্থিতিতে এই চুক্তি হবে। তারা এটির অনুসমর্থন চেয়েছে, তাই চুক্তির অনুসমর্থন দেয়া হয়। আগামী শুক্রবার চীনের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সফরে আসছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here