তৈমুরের স্ট্যান্ডবাজি

0
3

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখাননি বিএনপি নেতা তৈমুর আলম খন্দকার। তবে কখনো কখনো বলেছেন, চেয়ারপারসন চাইলে তিনি নির্বাচনে লড়বেন। আসলে এটা ছিল তৈমুর আলম খন্দকারের রাজনৈতিক ‘স্ট্যান্ডবাজি’। মুলত নাসিক নির্বাচনে প্রার্থীর হতে যেসকল যোগ্যতার প্রয়োজন হয় তার মধ্যে অন্যতম যোগ্যতা হারিয়েছেন তৈমুর আলম। আর তা হলো তিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার আশায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে তার ভোটার (ভোটার আইডি) প্রত্যাহার করে রূপগঞ্জের রূপসীতে নিয়ে গেছেন। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের নিয়ম মতে, স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার হতে হবে। যেহেতু সিটি এলাকায় তৈমুর ভোটার নন, সেহেতু নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এই সত্যটা গোপন করে গত কয়েকদিন ধরে তৈমুর আলম নানা নাটকের জন্ম দিয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুদকের ৮ থেকে ১০ টি মামলা রয়েছে।  কয়েকটির ওয়ান্টের বের হয়েছে। ইলেকশনে দাড়ালে এই মামলাগুলোতে তার সমস্যা হবে। এই দুই কারণে নিবাচন করার থেকে বিরত থাকার কৌশল নেন। একবার বলেন, নির্বাচন করবেন না আবার বলেন নেত্রী চাইলে করবেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই অবস্থান থেকে সরে গিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জায়গা থেকে তিনি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। অথচ তার কারণে বিএনপির দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে বিলম্ব হলো। তৈমুর আলম আগেই তার দুর্বলতার কথা দলের হাইকমান্ডের কাছে স্বীকার করলে প্রার্থী নির্বাচনে কোন জটিলতার সৃষ্টি হত না। শুক্রবার আওয়ামীলীগ তাদের প্রার্থী ঘোষনা করেছে ওইদিনই বিএনপিও তাদের দলীয় প্রার্থী ঘোষনা করতে পারতো। তবে শেষ পর্যন্ত তৈমুর আলম সারে দাড়ানোতে নেতাকর্মীরা খুশি। তারা বলছেন, তৈমুর আলমের চেয়ে দশগুণ যোগ্য প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান। এবং সাখাওয়াতকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে বিএনপি সঠিক কাজ করেছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, আসলে তৈমুর আলম খন্দকার স্ট্যান্ডবাজি করেই এ পর্যন্ত টিকে আছেন। দলের বড় বড় পদ বাড়িয়ে নিয়েছেন। কিন্তু গত ৭ বছর রাজপথের কোন আন্দোলনে সক্রীয় হিসেবে তাকে দেখা যায়নি। যতটুকু ছিলেন তা ছিল ফটোসেশন। এই অযোগ্য নেতার কারণে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির আজ করুন দশা। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তৃণমূলের নেতাকর্মীার সংগঠিত হতে পারেনি তৈমুর আলমের কারণে। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের সঙ্গে তৈমুর আলমের গোপন আতাত রয়েছে বলে জানেন মাঠ পযায়ের নেতাকমীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here