নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

0
5

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ): নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকারের হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাব্বির আলম ফাউন্ডেশন। ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে  শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। সেখানে নিহত সাব্বির আলমের বড় ভাই বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্ঠা তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমরা সবাই জানি কিন্তু বলি না। কিন্তু সাব্বির আলম বলতো। আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তাকে নির্মমভাবে খুন হতে হয়েছিল। স্ত্রী ও সন্তানরাও তাকে হারিয়েছে। এ সন্ত্রাসের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন জড়িত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জড়িত তাই এদের নির্মূল করছে না। তবে আমরা এর প্রতিবাদ করবোই। তিনি আরো বলেন, ‘সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী আন্দোলনের অগ্রপথিক ছিলো আমার ছোট ভাই সাব্বির আলম। আর এই কারণেই তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। আমরা এখনও তার বিচার পাইনি।’
মানববন্ধন শেষে কালো পতাকা নিয়ে শহরের মাসদার কবর স্থানে গিয়ে সাব্বিরের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মাসদাইর এলাকার শাহবুদ্দিন খন্দকার, আমানউল্লাহ, সামসুল হক খন্দকার, বিএনপি নেতা নূর উদ্দিন, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জামাল উদ্দিন কালু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুবদলের আহবায়ক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, যুগ্ম আহবায়ক রানা মুজিব, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নুরুন নাহার, সাধারণ সম্পাদক রহিমা শরিফ মায়া, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রাশিদা জামাল, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রশিদুর রহমান রশু, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সাব্বির আলম খন্দকার ছিলেন দেশের গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার অ্যান্ড ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এর প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক ও সাবেক সহ-সভাপতি। ২০০২ সালে অপারেশন ক্লিন হার্ট চলাকালীন একটি অনুষ্ঠানে প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে সাব্বির আলম নিজের জানাযায় সকলকে শরীক হওয়ার আহবান জানিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য প্রদানের কয়েকদিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারী শহরের মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়ির অদূরে আততায়ীদের গুলিতে তিনি নিহত হন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here