টাঙ্গাইলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জেএমবি সদস্যসহ নিহত ১১

0
4

টাঙ্গাইল (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ) : টাঙ্গাইলে র‌্যাবের অভিযানে গত এক বছরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জেএমবি সদস্যসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে হত্যা মামলার আসামিসহ বিদেশে পাচার হওয়া লোকদেরও উদ্ধার করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণে মাকদদ্রব্য ও অস্ত্র, বিভিন্ন ধরনের যানবাহনসহ আরও অনেক কিছু উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১২।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ ছয় ডাকাত, দুই জেএমবি সদস্য, দু্ই সন্ত্রাসী ও এক ছিনতাইকরী নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন থানায় ১২৭টি মামলা, ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট অভিযান চালানো হয়েছে ২৯টি। এ অভিযানে জরিমানা আদায় হয়েছে ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে ১৬ জন।

উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের মধ্যে হিরোইন ১০০ গ্রাম, ইয়াবা ৯৫ হাজার ৭৭৩ পিস, বিয়ার এক হাজার ৮৮ ক্যান, ফেনসিডিল তিন হাজার ৩২১ বোতল, গাঁজা ৩০ কেজি, দেশীয় মদ ৪৩ বোতল, চোলাই মদ ৪৫ হাজার ৯৪৫ লিটার এবং বিদেশি ৩২ বোতল মদ।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে বিদেশি পিস্তল ৯টি, রিভলবার সাতটি, একনালা বন্দুক একটি, শাটার গান দুইটি, পাইপগান তিনটি, ৯ মি.মি. পিস্তল একটি, দেশীয় এলজি একটি, তাজা গুলি ৪৭ রাউন্ড, কার্তুজ ৯টি, ম্যাগজিন ১০টি, চাপাতি ১৮টি এবং রামদা পাঁচটি।

অন্যান্য মালামালের মধ্যে ট্রাক ছয়টি, প্রাইভেটকার চারটি, বেবী টেক্সি একটি, গরু-বাছুর ২০টি, পিকআপ একটি, সিএনজি একটি, মোটর সাইকেল ৯টি, মিনিকেট চাউল ৩৩৮ বস্তা, স্বণের্র চুড়ি/চেইন/দুল আটটি, ল্যাপটপ দুটি, ক্যামেরা দুটি, মোবাইল ফোন ১৯৭টি। মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার ৩২৬ টাকা।

এ প্রসঙ্গে র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানি কমান্ডার বীণা রানী দাস বলেন, আমাদের একটি মাত্র ক্যাম্প। আমাদের যে জনবল সে তুলনায় এক বছরের অভিযানে আমি মোটামুটি সন্তুষ্ট। তবে যদি আমাদের কাছে আরও বেশি ইনফরমেশন থাকতো তাহলে আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।

তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাসী তারা অবশ্যই আইনের আওতায় আসবে, তারা অপরাধ করে পার পাবে না। তারা সবসময়ই আমাদের নজরদারিতে রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here