1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

আমরা চোরের দায়িত্ব নিবো না : শামীম ওসমান

বিল্লাল হোসেন রবিন (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০
  • ২২৫

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আওয়ামীলীগ নেতা শামীম ওসমান বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কর্মকান্ডে আমি অসন্তুষ্ট, আমি বিক্ষুব্দ, আমি প্রতিবাদি, এবং এটা আমি এখন থেকে না, শুরু থেকেই আমি এ ব্যাপারে কথা বলে এসেছি। যে কোম্পানীটাকে (জেকেজি) কাজটা দিয়েছিল আমি কিন্তু আমার কাজটা তাদের দিয়ে ঠিকই করিয়ে নিয়েছিলাম। কথা হচ্ছে কোন ব্যক্তি বিশেষ বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজ করে থাকে তার দায় দায়িত্ব রাস্ট্র নিতে পারে না। এবং রাষ্ট্র কিন্তু তার দায়িত্ব নেয় নাই। অন্তত সেই রাস্ট্র যেই রাস্ট্রের প্রধানমন্ত্রী জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা, সেখানে আমি কেনো আমার মতো লক্ষ শামীম ওসমানও যদি অপরাদ করে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি কেউ ছাড় পাবে না এবং কেউ পারও পাবে না। তবে এটা সত্য মানুষ এই বিষয়গুলিকে ভালো চোখে দেখছে না।

শামীম ওসমান বলেন, আমরা গত চারটা মাস ধরে পাগলের মতো পরিশ্রম করেছি। তিনবার শরীরে টেস্ট করিয়েছি। অসুস্থ্য হয়েছি। আল্লাহর রহমতে এখনো করোনায় আক্রান্ত হই নাই। কিংবা এখন পর্যন্ত মরে যাই নাই। কিন্তু আওয়ামীলীগের লক্ষ লক্ষ কর্মী রাস্তায় থেকে তবে অন্যদলের লোকেরাও আছেন। আমরা কিন্ত মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌছে দিয়েছি। সরকারী ত্রাণও পৌছেছি, ব্যক্তিগত ত্রাণও পৌছেছি। মোট কথা আওয়ামীলীগ ত্রাণ পৌছেছে। সেই জায়গাগুলোতে আল্লাহর রহমতে সংকট সৃষ্টি হয়নি। মানুষের ধান কেটে দেয়া হয়েছে। মৃত মানুষের লাশ দাফন করে দেয়া হয়েছে। কিন্ত এই সমস্ত (শাহেদ, সাবরিনা) কিছু সংখ্যক মানুষের জন্য এই ধরনের লুটেরা যারা সব আমলেই থাকে। বিভিন্ন রূপ ধারণ করে থাকে, শুধু চেহারা বদলায় , যারা নিজেদেরকে বলে মানুষ, যারা হয়তো দেখতে আমার মতো আপনার মতো মানুষ কিন্তু এ্যাকচুয়ালী তারা মানুষ না। যদি মানুষ হতো অন্তত এই সময়ে তারা এই জিনিসটা (করোনা টেস্ট, রোগী) নিয়ে এমন জগন্য ব্যবসা করতো না। এই মানুষগুলোর জন্য আজকে আমাকে উত্তর দিতে হচ্ছে।
১৪ জুলাই বেসরকালি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান টু দ্যা পয়েন্ট অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।
উপস্থাপকের নানা প্রশ্নের উত্তরে দেয়া শামীম ওসমান আরও বলেন, শামীম ওসমান বলেন, ‘এখন করোনা হয়েছে এজন্য সবাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ে বলছে। কালকে আরেক জায়গায় ভূমিকম্প হোক সবাই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় নিয়ে বলবে। আমি পূর্বাচল দিয়ে যাচ্ছিলাম এক বছর আগে রাস্তা হয়েছে নতুন ঝকঝকে চকচকে রাস্তা। এখন গিয়ে দেখেন পুরো রাস্তা কেটে নাই করে দেয়া হয়েছে। নতুন করে সংস্কার করছে। আমি কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করেছি কেন? আমি বুঝলাম না কেন কেটে দেয়া হয়েছে। বোধহয় আন্ডাপাস করা হবে। তাহলে আগে কেন প্ল্যান করেননি কেন? এই যে একশ দেড়শ কোটি টাকা খরচ হবে এটা কার টাকা?’
শামীম ওসমান বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চেয়ে বেশি ক্ষমতা হচ্ছে যারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাপ্লাই করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চালায় সাপ্লায়ার্স এবং কিছু ওষুধ কোম্পানী। সুতরাং আমাকে বলতে হবে। আলটিমেটলি সবশেষে জনগণের কাছে জবাব আমাকে দিতে হয়। নারায়ণগঞ্জের প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ আর আল বাকারা তাদের কাছে ১০টি আইসিইউ আছে। ৪ মাস ধরে চেষ্টা করেছি এগুলো চালু করার জন্য। অথবা তাদের বলেনি রোগী ভর্তি করার জন্য। আমি ডিসি, সিভিল সার্জন ও ফোকাল পার্সনকে দিয়ে তাদেরকে ডাকলাম। সবাই বড় বড় ডাক্তার। আমি একজন সংসদ সদস্য হয়ে উঠে দাড়িয়ে হাতজোড় করে বললাম আপনাদের মধ্যে মেইন কে? বললো ওনি। দেখলাম তিনি বয়স্ক মানুষ। আমি বললাম। শামীম ওসমান হিসেবে আমি আপনার পা দুটো জড়িয়ে বলতে চাই , ভিক্ষা চাই। বললাম আপনি রোগী ভর্তি করবেন? এই কথা বলার পর ওনারা সবাই এক সঙ্গে দাড়িয়ে গেলেন। উনারা বললেন এই মুহূর্ত থেকে করবো। আমার তো লজ্জা নাই এটা বলতে, আমি ছোট হয় নাই। আমি আমার মানুষের জোরে রাজনীতি করি। সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য রাজনীতি করি। আমি জানি আমাকে মরতে হবে। কিন্তু এ ধরনের লোকেরা মনে করে করোনার পরে তারা মরবে না।
উপস্থাপকের এক প্রশ্নের জবাবে শামীম ওসমান বলেন, আমি যদি তার (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) জায়গায় থাকতাম। গণমাধ্যমের সকল প্রশ্নের জবাব দিতাম, গণমাধ্যম আমার কাছে জানতে না চাইলেও দিতাম। এবং জনগণকে সন্তুষ্ট করতাম। আর যদি না পারতাম আমি খোদা হাফেজ বলতাম, যদি আমার আত্মসম্মানবোধ থেকে থাকে। এবং আমি একটি টেলিভিশনে কথা বলার পর তিনি (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি বললেন, এভাবে বলতে পারলেন। আমি তাকে প্রচন্ড সম্মান করি। একজন বড় ভাই হিসেবে। আমি বললাম আমার এলাকার মানুষের চিকিৎসা দেয়ার দায়িত্ব আমার। বললো এখানে ভুল হচ্ছে। আমি বললাম আপনি বলেন না কেন। তিনি বললেন, বলার ক্ষমতা রাখি না। আপনি মনে করছেন আমি বললে আমার ক্ষমতা চলে যাবে। আমি বললাম নো প্রবলেম। আপনি আপনার কাজ করেন, আমি আমার কাজ করি। আমি স্ট্রেট ফরওয়াড। আমার সাহসের উৎকর্ষ হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। উনি শিখিয়েছেন সাদাকে সাদা বলো, কালোকে কালো বলো।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শামীম ওসমান বলেন,স্বাস্থ্যমন্ত্রীই কন্ট্রোল করতে পারবেন। উনি লজিক দেখিয়েছেন। আমি বলছি আমাদেরকে ডাকেন। আমাদেরকে সাথে নিয়ে বসেন। আমরা ফাইট করবো। আমি উনাকে দায়ী করছি না। যদিও দায় সব ওনার কাধে গিয়ে পড়ছে। দায় ওনার একা না। এখানে সর্ষের ভিতর ভূত আছে। সর্ষের ভিতরে ভূতটা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়েই না, অনেক অনেক জায়গায় আছে। কিন্তু বেনিফিশারি হয় ৯০ ভাগ অন্য লোক। আর শতভাগ টার্গেট হয় পলিটিশিয়ান। সো পলিটিশিয়ানা বদনামী হবে আর ৯০ ভাগ সুবিধা নিয়ে স্যুট টাই পড়ে ভদ্র লোকেরা অন্য জায়গায় বদলি হয়ে যাবে এটা হবে না।
আমি পরিস্কারভাবে বলতে চাই। বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণের যেই কন্ঠ সেই কন্ঠের সঙ্গে কন্ঠ মিলিয়ে বলতে চাই, এই অমানুষগুলোর বিচার আমরা চাই। কারণ ওরা আমাদের জাতির জনকের কণ্যা যেভাবে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আজকে ৮% পার্সেন্ট জিডিপি নিয়ে এসছিলেন, যেভাবে করোনার মোকাবেলা করছেন, মানুষকে সংক্রামণ থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, কিছুই ছিল না আমাদের স্বাস্থ্যখাতে, সেখান থেকে তিনি বিভিন্ন জায়গায় টেস্টের ব্যবস্থা করেছেন। সব কিছুর করার পরে আমার মনে হচ্ছে ‘এক মন দুধের মধ্যে এক ফোঁটা চুনই যথেষ্ট’। এরা হচ্ছে এক মন দুধের মধ্যে এক ফোঁটা চুন। সেটা তারা নস্ট করে দিয়েছে। আমি মনে করি, দাবি করি, যারা এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত আছেন অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং আরও যারা আছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শামীম ওসমান বলেন, জেকেজি যখন নারায়ণগঞ্জে গেলো তখন নারায়ণগঞ্জে কোনো টেস্ট হয় না। এমন এলাকায় যখন জেকেজি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হলো তখন আমার মনে হলো আমি আকাশের চাঁদ পেলাম। তাড়াতাড়ি করে দুটি স্কুলে তাদের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করলাম। একই সঙ্গে আমাদের সিভিল সার্জন, করোনা ফোকাল পার্সনকে এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে লাগালাম। সঙ্গে সাতজন সংবাদিক ভাইকে লাগালাম যে, তারা ঠিক মত কাজ করছে কিনা। প্রথম প্রথম কাজ করার সময় দেখলাম তাদের কাজের সঙ্গে আমি সন্তুষ্ট হতে পারলাম না। তখন আরিফ সাবেক এবং ডিজি সাহেবকে ধরলাম। আরিফ সাহেব আমাকে ভিডিও দিয়ে বললেন সব ঠিক আছে। আমি যখন টেস্ট করাতে গেলাম, আমার মনে হল কাজটা এপ্রোপ্রিয়েট না। আমি তাদের সিইও কে জিজ্ঞাস করলাম আপনাদের লোকদের প্রশিক্ষিত করান কে? তিনি আমাকের বললেন ডা. সাবরিনার কথা। আমি তাকে কল করলাম, নারায়ণগঞ্জে যারা কাজ করছে তারাকি ভাল ভাবে প্রশিক্ষিত? তিনি বললেন, আমরা তাদের ট্রেনিং দিয়েছি। আমি জিজ্ঞাস করলাম আপনি কে? তিনি বললেন, হার্ট কার্ডিওলজিস্ট। হার্টের কার্ডিওলজিস্ট শুনার পর আমার তার প্রতি শ্রদ্ধা জন্মালো। মে মাসের শেষের দিকে জেকেজির আরো অনিয়ম দেখে আমি তাকে কল দিলাম। তিনি বললেন, সে আর তাদের সঙ্গে নেই। তাদের নৈতিকতায় মিলছে না।
শামীম ওসমান বলেন, আমি কিন্তু প্রথমে শ্রদ্ধায় তাদের প্রতি নত হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ বিনা পয়সায় সব কিছু করে দিচ্ছে। আমি মনে করলাম যাক, বাংলাদেশে তাহলে এমন মানুষও আছে যারা বিনে পয়সায় টেস্ট করে। পরে আমি ডিজি হেলথকে ফোন দিলাম। জেকেজি কি আপনাদের কাছ থেকে টাকা নেয়? বললো না। তার মানে এটা তাদের কৌশল। ঠিক এভাবেই এরা ঢোকে। মানে মাথাটা ঢুকিয়ে দেয়। আমি বলবো না যে কে দোষী, কে নির্দোষী। আমি পারসেপশনে কাউকে দোষী করতে চাই না। আমি ডক্টর মহিলাকেও দোষী করতে চাই না। তবে ভদ্র মহিলা (ডা. সাবরিনা আরিফ) নির্দোষ প্রমানিত হলে আমি খুশি হবো। আর যদি দোষী প্রমাণিত হন তাহলে কষ্ট পাবো। কারণ তার পেশা আমার থেকে অনেক সম্মানিত। তারা আমাদের জীবন বাঁচান। একজন ডক্টর। আমি ডক্টর ও নার্সকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করি। যখন সন্তান কোন কস্ট পায় তখন মায়ের কাছে আশ্রয় নেয়। আর রোগী যখন কস্ট পায় তখন ডাক্তার ও নার্সের কাছে আশ্রয় নেয়।
শামীম ওসমান বলেন, এরা (রিজেন্টের শাহেদ) চুরি করেছে কেন? পলিটিশিয়ান হওয়ার জন্য? না। ও চুরি করেছে পয়সা কামানোর জন্য। তো রিজেন্ট বন্ধ করে দেয়া হলো। কেনো? আমার কথা হলো সরকারের ক্ষমতা আছে সরকার যদি চায় যে কোন প্রতিষ্ঠান জব্দ করতে পারে। রিজেন্টের দুইটা প্রতিষ্ঠান আছে। সরকার এখন জব্দ করে সরকারীভাবে সেবা শুরু করে দিক। যদি এই ভদ্রলোক (শাহেদ) বিচারে নির্দোষ প্রমানিত হন তাহলে সরকার তার প্রতিষ্ঠান তাকে ফেরত দিয়ে দিবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত যারা টাকার জন্য এই কাজগুলি করে তাদের সম্পদ নিয়ে নেন, দেখবেন তাদের কাছে সবচেয়ে বড় শোকের বিষয় হবে তাদের সম্পদ ও অর্থ।
শামীম ওসমান বলেন, আমরা যারা রাস্তা থেকে উঠে এসেছি। রাজনীতিটা একেবারে তৃণমুল থেকে করে এসেছি। খেয়ে না খেয়ে রাজনীতি করেছি। মার খেয়েছি, জেল খেটেছি, ২০০১ সালের বোমা হামলায় মরেই গিয়েছিলাম, আল্লাহ বাচিয়ে দিয়েছেন। মোটকথা অনেক ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে আজকে এই জায়গায় এসেছি। কিন্তু এরা (শাহেদ) যেখান থেকে রাজনীতিটা করতে ঢুকে মূলত এরা রাজনীতিবিদ না। এরা রাজনীতিটাকে ব্যবহার করে, কখন করে? এরা সুযোগ পায়। যোগ্য লোকটা যখন যোগ্য জায়গায় থাকে না, তখনই কিন্তু এরা সহজেই ঢুকে পড়ে।
শামীম ওসমান বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে এবং শেখ হাসিনার রাজনীতি করতে গিয়ে ৪৯ জন মানুষকে এই হাত দিয়ে দাফন করেছি। এই লাশগুলোকে কবরস্থানে নিতে পারি নাই কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় গুলি করা হয়েছিল ওই লাশের ভিতর থেকে ৭৫টা গুলি বের করা হয়েছিল। সুতরাং আমরা এই চোরের দায়িত্ব নিব না। নিব না এখানে বলবো নেত্রীর কাছে বলবো। আমি সমস্ত সাংবাদিকদের বলেছি আমরা শুধু অথেনটিক খবরটা চাই। আমরা কোনো পদ পদবির রাজনীতি করতে আসি নাই। আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এই দেশ আমার। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু করতে চাই।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart