1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধারের ব্যবস্থা নেই, কেটে উদ্ধার করতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১১৯

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে যাত্রীবাহী এমভি শাহরুখ-২ লঞ্চের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ডুবে যাওয়া ক্লিংকারবাহী কার্গো উদ্ধার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চারটি উদ্ধারযানের সম্মিলিত উত্তোলন ক্ষমতা ৬২০ মেট্রিক টন। তবে ডুবে যাওয়া হাজি মো. দুদু মিয়া নামের কার্গোটির ওজন ৬০০ মেট্রিকটন। আর কার্গোতে ১২০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার রয়েছে। তারপর পানি ঢুকে এর ওজন অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ নৌযানটি উদ্ধারে অক্ষম বিআইডব্লিউটিএ।

এদিকে কার্গোটি নৌপথের নৌযান চলাচলের মূল চ্যানেলে ডুবেছে। এ কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কার্গোটি সরানো না গেলে চ্যানেলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রোববার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব-উল ইসলাম দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চারটি উদ্ধারযানের সম্মিলিত উত্তোলন ক্ষমতা ৬২০ মেট্রিক টন। ১২০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার বোঝাই জাহাজটির ওজন আরও ৬০০ মেট্রিক টন। ডুবে যাওয়ার পর এখন প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন ওজন হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজের ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধারের সক্ষমতা নেই। তাই কার্গোর মালিকপক্ষকে এক মাসের মধ্যে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কার্গোটি উদ্ধারের জন্য বলা হয়েছে।

এ সময়ের মধ্যে তারা উদ্ধারে ব্যর্থ হলে কার্গোটি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে। পরে ডুবুরি নামিয়ে কেটে কেটে জাহাজটি উদ্ধার করে নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা হবে বলে জানান কমডোর এম. মাহাবুবুল ইসলাম।

কমডোর এম মাহবুব-উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে বিআইডব্লিউটিএ’র ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে পরবর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে এ ধরনের দুর্ঘটনারোধে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, কার্গোটির সামনের দিক পুরোপুরি পানির নিচে এবং পেছনের দিকের কিছু অংশ পানির ওপরে জেগে আছে। এর পাশেই রয়েছে উদ্ধারকারী নৌযান ‘নির্ভীক’। এ উদ্ধারকারী নৌযানটির সর্বোচ্চ ২৬০ মেট্রিক টন ওজনের নৌযান টেনে তোলার সক্ষমতা আছে।

লঞ্চ মালিক সমিতির একাধিক নেতা জানান, ঢাকা-বরিশাল নৌপথে বিশাল আকারের বিলাসবহুল যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পণ্যবাহী জাহাজ, তেলের ট্যাংকার ও মালবাহী কার্গো চলাচল করে। এছাড়া এ নৌপথে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় যাতায়াতের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কার্গোটি নৌপথের মূল চ্যানেলে ডুবেছে। এটি সরানো না গেলে চ্যানেলটি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কার্গোটি উদ্ধারে ব্যর্থ হলে গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটটি হুমকির মুখে পড়বে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল নৌ-নিরাপত্তা শাখার উপ-পরিচালক ও বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, উদ্ধারকারী নৌযান রুস্তুম ও হামজার উত্তোলন ক্ষমতা ৬০ মেট্রিক টন করে ১২০ মেট্রিক টন। পুরোনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এ দুটির উত্তোলনক্ষমতা এখন ৪০-৫০ টনের বেশি নেই। এছাড়া উদ্ধারকারী নৌযান নির্ভীক ও প্রত্যয় এর প্রতিটির উত্তোলনক্ষমতা সর্বোচ্চ ২৫০ মেট্রিক টন। এমতবস্থায় এ ৪টি উদ্ধারকারী নৌযান একযোগে কাজ করেও ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধার করা সম্ভব নয়। দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত ডুবে যাওয়া স্থানে সিগনাল বাতি স্থাপন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে বরিশাল নৌবন্দরের ডিসির ঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে বরগুনা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ শাহরুখ-২ এর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ক্লিংকার বোঝাই কার্গোটি ডুবে যায়। কার্গোটি নৌবন্দর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অ্যাংকর সিমেন্ট কোম্পানির ক্লিংকার নিয়ে যাচ্ছিল।

অন্যদিকে এমভি শাহরুখ-২ এর সামনের তলা ফেটে যায়। পরে নিরাপদে চরকাউয়া খেয়াঘাটে নেয়া হয় লঞ্চটি। কার্গোতে থাকা মাস্টার, সারেং, সুকানীসহ ১১ জন স্টাফ সাতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart