1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫৩ অপরাহ্ন

তাবিথ-ইশরাককে নিয়ে আপত্তি বিএনপিতে!

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৭৫

ঘনিয়ে আসছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন। গতবারের মতো এবারও দুই সিটি করপোরেশনে লড়াইয়ে নামার ব্যাপারে ইতিবাচক বিএনপি। সে হিসেবে এবারও দলটির নেতাকর্মীদের আগ্রহ মেয়র পদের প্রার্থী নিয়ে। নেতাকর্মীরা বলছেন, মনোনয়নের ক্ষেত্রে নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে যাদের হৃদ্যতা রয়েছে, যাদের জনপরিচিত আছে, তাদের বিবেচনা করা হোক। এক্ষেত্রে ভেঙে দেওয়া হোক পরিবারতন্ত্রের চর্চা।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী জানুয়ারির শেষ দিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি-ডিএসসিসি) ভোট হবে। আর এই নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে বলে দলটি ইতোমধ্যে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত দলটি তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। তবে এ দুই সিটিতে একাধিক প্রার্থী কাজ করলেও ডিএনসিসির মেয়র পদে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে এগিয়ে রয়েছেন। আর ডিএসসিসির মেয়র পদে বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে দলের বৈদেশিক বিষয়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনের সম্ভাবনাই এখন পর্যন্ত বেশি।

বিএনপি শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বলছেন, আলোচনায় যিনিই থাকুন, মনোনয়নের ক্ষেত্রে ভাবতে হবে ভোটার ও যারা অলি-গলি গিয়ে ভোট চাইবেন, সেই মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের কথা। যে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের যোগাযোগ রয়েছে, ভোটার ও জনপরিসরে যার পরিচিতি রয়েছে, তাকে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করতে হবে। নির্বাচনের আগে কাউকে প্রার্থী করে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হলে ভোটাররা মৌসুমী রাজনীতিক ধরতে পারেন তাকে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, ‘ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তিত্বের নেতাকে বিবেচনা করা উচিত।’

দুই সিটিতে তাবিথ এবং ইশরাকের বিষয়ে আপত্তি তুলে তিনি বলেন, ‘তাবিথ আউয়াল আমাদের দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে। মিন্টু ভাই ২০০১ সালে আমাদের দলে জয়েন করেছেন, দলের প্রতি তার যে অবদান সে অনুযায়ী দলও তাকে মূল্যায়ন করেছে। তার ছেলেকে গত নির্বাচনে ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী বা ভোটারদের সঙ্গে মিশতে পারেননি। তাবিথের আমেরিকার নাগরিকত্ব রয়েছে, তিনি ডিপ্লোম্যাটিক ডিসিপ্লিনের মানুষ, সেখানেই তিনি কমফোর্ট ফিল করেন। তার ওখানেই কাজ করা উচিত। আমি মনে করি তাবিথের পরিবর্তে মেয়র পদে তার বাবা আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে মনোনয়ন দেয়া উচিত অথবা দলের যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিবেচনা করা উচিত। আলাল ওই এলাকা থেকে এমপি নির্বাচন করেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মী এবং ভোটারদের সঙ্গে তার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘দক্ষিণে ইশরাক হোসেনের কথা বলা হচ্ছে। তিনি দেশের বাইরে কাটিয়েছেন। তার বাবা একজন দক্ষ সংগঠক ও বিজ্ঞ নেতা ছিলেন। দলের জন্য তার বাবা প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার যে অবদান তাতে ইশরাককে একটা আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেয়া যেতে পারে, কিন্তু মেয়র পদ আরও বড় বিষয়। বেশ কয়েকটা সংসদীয় আসন। দক্ষিণের ক্ষেত্রে বরং আফরোজা আব্বাস (মহিলা দলের সভাপতি), আব্দুস সালাম (বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা), সালাহউদ্দিন আহমেদ (কেন্দ্রীয় নেতা), নবী উল্লাহ নবী (ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা)- এদের বিবেচনা করা উচিত। মনোনয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনসম্পৃক্ততা পাশ কাটিয়ে যদি পরিবারতন্ত্রকে গুরুত্ব দেয়া হয়, তবে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হবে, যা দলের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।’

সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সী বজলুল বাসিত আঞ্জু বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের জন্য গতবারে আমাদের মেয়র প্রার্থী ছিলেন তাবিথ আউয়াল সাহেব। উনি তো অলমোস্ট এক ধরনের গণসংযোগে নেমে গেছেন। আর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, তারাও মনোনয়নের জন্য আমাদের পর্যায়ে, বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন।’

দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘আসলে আমরা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে এখন ভাবছি না। আর ভাবার সুযোগও নেই। আমরা ম্যাডামের মুক্তি নিয়েই চিন্তিত এবং নেত্রীর মুক্তির জন্য কী কর্মসূচি নেওয়া যায়, আমরা সেগুলো নিয়েই ভাবছি। সিটি করপোরেশন নির্বাচন আমাদের মাথায় নেই আর কি। তবে যেহেতু পার্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নির্বাচনে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। যখন সময় আসবে, তখন আমরা এ ব্যাপারে আমাদের পদক্ষেপ নেবো। ’

যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘মনোনয়নের ক্ষেত্রে আমাদের যারা নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আছেন, তারা বিবেচনা করবেন। কিন্তু নির্বাচন কি সরকার এই টালমাটাল অবস্থায় সঠিক সময়ে দেবে? এটা হলো প্রথম প্রশ্ন। দ্বিতীয়ত, সরকার তো কৌশল করেও এর আগে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণে নিজেদের লোকদের দিয়ে মামলা-মোকাদ্দমা করিয়ে ভোট বন্ধ রেখেছিলো ।’

তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রথমে যেটা দরকার, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, কিন্তু এই নির্বাচন কমিশন অবিশ্বাস্য রকমের তৎপর সরকারের পক্ষে। তাদের সরিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিলে সেই নির্বাচনে যেই হোক আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আর যদি দলের সিদ্ধান্ত হয় নির্বাচন কমিশনে যে-ই থাকুক আমরা নির্বাচনে অংশ নেবো। সেক্ষেত্রে আগে যারা নির্বাচন করেছে তাদের অগ্রাধিকার থাকা উচিত। অথবা তাদের মধ্যে যদি কেউ আগ্রহী না থাকে, নতুন মুখ মানুষের সহানুভূতিতে আসে, সেদিকটা বিবেচনায় রেখে মনোনয়ন দেয়া উচিত। ’

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নের ব্যাপারে এখনো দলের সর্বোচ্চ ফোরামে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং বেগম সেলিমা রহমান।

সেলিমা বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, ‘বিষয়টা নিয়ে এখনো বসা হয়নি, যথাসময়ে সিদ্ধান্ত হবে, জানতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart