1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের রাজাকারদের তালিকা (পরিচয়সহ)

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৮১

 নারায়ণগঞ্জে রাজাকারদের তালিকা। মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের অগ্রণী ভূমিকা ছিল। মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের দামাল ছেলেরা যেমন লিখেছেন গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস তেমনি পাকিস্তানি বাহিনীর দোসররা নারায়ণগঞ্জকে করেছিলেন কলঙ্কিত। সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা হলেও স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও করা হয়নি রাজাকারদের কোন তালিকা। তবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লেখক, ইতিহাসবিদ, গবেষক মুক্তিযুদ্ধের সময়কার রাজাকার, আল বদর, আল শামস ও শান্তি কমিটির নেতাদের তালিকা করেছেন। তাদের মধ্যে ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুনের সম্পাদিত ‘মুক্তিযুদ্ধ কোষ’, ‘শান্তিকমিটি ১৯৭১’ ও রীতা ভৌমিকের লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ’ বইয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজাকারদের তালিকা পাওয়া যায়।

একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের অগ্রণী ভূমিকায় ছিল পাকিস্তানির দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস ও শান্তি কমিটির লোকজন। তারাই সে সময় সাধারণ বাঙালি ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়েছে; চালিয়েছে নৃশংস গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন। ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত মুক্তিযুদ্ধ কোষের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম খন্ডে এবং রীতা ভৌমিক তার মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ বইতে ১৯৭১ এ নারায়ণগঞ্জে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার, আল বদর, আল শামস, মুজাহিদ, শান্তি কমিটির সদস্য, রাজনৈতিক নেতা কর্মী সবাইকে এক কথায় যারাই মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করেছে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত করেছেন। সেই সময়কার অনেক রাজাকার ও তাদের বংশধররা আজ রাজনীতিতে, সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় ছিলেন- এ এস এম সোলায়মান, এম. এ জাহের, খোদা বখস ভূঁইয়া, গুল বখস ভূঁইয়া, মজিবর ভুইয়া, সফর আলী ভুইয়া, গোলাম রব্বানী খান, আব্দুল বাসেত প্রমুখ।

রাজাকারদের তালিকা

সদর:
গোলাম রব্বানী খান
নারায়ণগঞ্জ থানার চাষাঢ়ার বাসিন্দা গোলাম রব্বানী খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন।
আবু মোহাম্মদ নইম আনসারী
নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ থানার খানপুরের বাসিন্দা আবু মোহাম্মদ নাঈম আনসারী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আলমাস আলী
আলমাস আলী দেওভোগের বাসিন্দা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
আলমাস
আলমাস বাবুরাইলের বাসিন্দা। বাবার নাম সোলায়মান সর্দার। রাজাকার ছিলো।
ইসলাম
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানা বি.বি. রোডের ইসলাম ছিলেন নারায়ণগঞ্জ কো অপারেটিভ ব্যাংকের একজন চেয়ারম্যান। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি সুতার ব্যবসায়ী হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
এম. এ জাহের
নারায়ণগঞ্জের বিবি রোডের এম. এ জাহের ছিলেন এম, এন, এ চিফ হুইপ। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
কাদের মিয়া
নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা কাদের মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
খোদা বকস
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার জিমখানা এলাকার বাসিন্দা খোদা বগস। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
গুলজার
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার জিমখানা এলাকা, রেলওয়ে কোম্পানির গুলজার ছিলেন একজন ক্রীড়াবিদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকারের কমান্ডার ছিলেন।
জায়েদ
নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ থানার দেওভোগ বাসিন্দা জায়েদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
টুলু
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার বাবুরাইলের বাসিন্দা টুলু। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
দেলোয়ার (দুলু)
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার জিমখানা এলাকায় রেলওয়ে কোম্পানির বাসিন্দা দেলোয়ার (দুলু)। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আব্দুল জলিল
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ার আব্দুল জলিল ছিলেন একজন চেয়ারম্যান। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
আব্দুল বাসেত
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার খানপুরের আব্দুল বাসেত ছিলেন একজন চেয়ারম্যান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আমির আলী
নারায়ণগঞ্জ জল্লারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আমির আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আমীর আলী
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আমীর আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন।
আরজু মিয়া
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার আমলাপাড়া বাসিন্দা আরজু মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
বারেক
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার বাবুরাইল বারেক ছিলেন একজন হোসিয়ারী শ্রমিক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
বিল্লাল হোসেন
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মুজাহিদ মোঃ আলী
নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ থানা গলাচিপা গ্রামের বাসিন্দা মুজাহিদ মো. আলী। স্বাধীনতার পর তিনি পাকিস্তানে চলে যান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
বুড্ডু
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মিশন পাড়ার বুড্ডু ছিলেন সিনেমা হলের একজন টিকেট ব্ল্যাকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মোহাম্মদ হোসেন
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার রেলির বাগানের মোহাম্মদ হোসেন ছিলেন একজন তরকারি বিক্রেতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
শামসুল হক
নারায়ণগঞ্জ জল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শামসুল হক। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
শাহ আলম
নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ থানার দেওভোগের শাহ আলম ছিলেন সিনেমা হলের একজন টিকিট ব্লাকার। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি হোশিয়ারি ব্যবসায়ী হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
শাহজামাল
নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ থানার গলাচিপার বাসিন্দা শাহ জামাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
শাহজাহান
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার বাবুরাইলের বাসিন্দা শাহজাহান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
সিদ্দিকুর রহমান ভুঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের ভূঁইয়াপাড়া বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
ডা.হাবিব
নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের হাবিব ছিলেন একজন চিকিৎসক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
হোসেন
নারায়ণগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ থানার রেলির বাগানের বাসিন্দা হোসেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরে তাসকিনের জেনেভা ক্যাম্পের রিফুজি। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
আবদুর রহমান
আবদুর রহমান রাজাকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকায় স্বাধীনতার পর দালালী ও খুনের অভিযোগে আদালত তাকে মৃত্যুদ- প্রদান করে। এই রাজাকার নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী গোলাম মোস্তফাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
মো. আজগর
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার বাসিন্দা মোঃ আজগর। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মো. জুলহাসমিয়া
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার বাসিন্দা মোঃ জুলহাস মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মহিউদ্দিনআহম্মেদমাহি
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার ১ নং বাবুরাইলের বাসিন্দা মহিউদ্দিনআহম্মেদমাহি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মনিরহোসেন
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার বাবুরাইলের বাসিন্দা মনিরহোসেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মিলনখান
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার আলম খান লেনেরবাসিন্দা মিলন খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন। তাঁর ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা ছিল।
মহসিন
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার কাশীপুরেরবাসিন্দা মহসিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
নাজিম মিয়া
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার ম-লপাড়ার বাসিন্দা নাজিম মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
নুরুদ্দিন মিয়া
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার পাইকপাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী নুরুদ্দিন মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
নাজিরউদ্দীন আহমেদ
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার প্রিন্টিং প্রেসের মালিকনাজিরউদ্দীন আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
হোসেন জামাল
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার বাবুরাইলের বাসিন্দা হোসেন জামাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তাঁর সিগারেটের ব্যবসা ছিল।
আমীর আলী
নারায়ণগঞ্জের সদর থানার পাইকপাড়ার বাসিন্দা আমীর আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি বাহিনীর সেক্রেটারিছিলেন।

বন্দর
লতিফ সর্দার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার নবীগঞ্জ গ্রামের (ইউনিয়ন নবীগঞ্জ) বাসিন্দা লতিফ সর্দার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আমির মিয়া
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কামহারটা গ্রামের (ইউনিয়ন কুশিয়ারা) বাসিন্দা আমির মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আব্দুল হালিম
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কল্যান্দী গ্রামের (ইউনিয়ন কলাগাছিয়া) আব্দুল হালিম ছিলেন একজন ব্যবসায়ী । মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আব্দুল মালেক
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কুড়িপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন ধামগড়) আব্দুল মালেক ছিলেন আদমজি জুট মিলের একজন লাইন সর্দার। তার বাবার নাম মাইনুদ্দীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আব্দুস সামাদ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কুড়িপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন ধামগড়) বাসিন্দা আব্দুর সামাদ তার বাবার নাম মাইনুদ্দীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আব্দুল আজিজ সরদার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার নবীগঞ্জ গ্রামের (ইউনিয়ন নবীগঞ্জ) বাসিন্দা আব্দুল আজিজ সরদার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আব্দুর রব
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার নবীগঞ্জ গ্রামের (ইউনিয়ন নবীগঞ্জ) আব্দুর রব ছিলেন একজন কমিশনার। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ সরদার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
আজিজ সর্দার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার লক্ষণখােলা গ্রামের বাসিন্দা আজিজ সর্দার। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
মোহাম্মদ আলী
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সোনাকান্দা গ্রামের (ইউনিয়ন সোনাকান্দা) মোহাম্মদ আলী ছিলেন মুসলিম লীগের একজন সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
রফিক
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কুড়িপাড়া গ্রামের (ধামগড় ইউনিয়ন) রফিক ছিলেন এলাকার চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি ঠিকাদার ব্যবসায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
এম. ওহাব
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কলাগাছিয়া গ্রামের (ইউনিয়ন কলাগাছিয়া) এম. ওহাব ছিলেন একজন পাট-সার ব্যবসায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
কাশেম
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মাহমুদনগর গ্রামের (ইউনিয়ন সোনাকান্দা) কাশেম ছিলেন একজন চাল ব্যবসায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
খলিল
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার বন্দরের ৩৪ এইচ এম সেন রোডের বাসিন্দা খলিল। তার বাবার নাম আহসান উল্লাহ মুন্সী। বর্তমানে তিনি কানাডা প্রবাসী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

হাজী আহসান উল্লাহ মুন্সী

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার এইচ এম সেন রোডের বাসিন্দা ছিলেন হাজী আহসান উল্লাহ মুন্সী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
সাহেব আলী
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সোনাকান্দা গ্রাম (ইউনিয়ন সোনাকান্দা) বাসিন্দা সাহেব আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
গেলাম মোস্তফা
নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার কুড়িপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন ধামগড়) বাসিন্দা গেলাম মোস্তফা। তার বাবার নাম মাইনুদ্দীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
তাসকিনা তামান্না
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সোনাকান্দা গ্রাম (ইউনিয়ন সোনাকান্দা) বাসিন্দা তাসকিনা তামান্না। বাবার নাম শের মো. খান। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানবাসী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
ফয়েজ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ত্রিবেণী স্কুলের পাড়ের বাসিন্দা ফয়েজ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আইউব খান
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সোনাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা আইউব খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
শুনু মিয়া
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কামহারটা গ্রামের (ইউনিয়ন কুশিয়ারা) বাসিন্দা শুনু মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
মুক্তা বেগম
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার বন্দর গ্রামের (ইউনিয়ন বন্দর) বাসিন্দা মুক্তা বেগম। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তিনি গৃহিণী ছিলেন।
মুক্তারহোসেন
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার বন্দর গ্রামের (ইউনিয়ন বন্দর) বাসিন্দা মুক্তারহোসেন।বাবার নাম আইয়ুব মাস্টার। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানবাসী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।

ফতুল্লা
সালাম দেওয়ান
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ধর্মগঞ্জ গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা সালাম দেওয়ান । তার বাবার নাম রফিক দেওয়ান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
সুবেদার খলিল
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বাসিন্দা সুবেদার খলিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আব্দুল মান্নান
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ইছাপুরা গ্রামের আব্দুল মান্নান ছিলেন একজন চাকুরিজীবী। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
আব্বাস
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা আব্বাস একজন অবাঙালি । মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আনোয়ার হোসেন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার রাজাপুর গ্রামের (ইউনিয়ন বক্তাবলী) আনোয়ার হোসেন ছিলেন প্রকৌশল অধিদপ্তরের একজন কর্মচারী। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মোক্তার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা মোক্তার একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মোস্তফা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা মোস্তফা একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
রহমান মেম্বার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ধর্মগঞ্জ গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) রহমান ছিলেন একজন মেম্বার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
রিজিয়া
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার তালতলা গ্রামের বাসিন্দা রিজিয়া মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
লতিফ
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানা হরিহরপাড়া গ্রাম (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা লতিফ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
ইকবাল
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) ইকবাল ছিলেন ঢাকা ভেজিটেবল কোম্পানির একজন কর্মচারী। তিনি অবাঙালী মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
ওমর আলী, ডা.
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) ওমর আলী ছিলেন একজন চিকিৎসক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির সদস্য।
ছায়েদ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বাসিন্দা ছায়েদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
জয়নাল
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার রামারবাগের জয়নাল একজন তরকারি বিক্রেতা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
জালাল উদ্দিন আহাম্মদ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কাশিপুর ইউনিয়নের জালাল উদ্দিন আহাম্মদ ছিলেন রেশম দোকানের একজন ডিলার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
ফিদা খান
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা ফিদা খান। তিনি ছিলেন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
ফুল চান মেম্বার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ধর্মগঞ্জ গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা ফুল চান মেম্বার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
গফুর
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ফাজিলপুর গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা গফুর। তিনি ছিলেন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
বদিউজ্জামান
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা বদিউজ্জামান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আলীআক্কাসমেম্বার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়ার গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা আলী আক্কাস মেম্বার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মালেকউদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা মালেকউদ্দিন। তার বাবার নাম আইয়ুব খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মহিউদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ফাজিল্পুর গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) বাসিন্দা মহিউদ্দিন।তার বাবার নাম লাল মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার সদস্য ছিলেন।
জামাল
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার হরিহরপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন এনায়েতনগর) জামাল ছিলেন অবাঙালী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ
মোজাফর মেম্বার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমুল পাড়া সোনামিয়া বাজার গ্রামের (ইউনিয়ন শিমুল পাড়া) মোজাফর মেম্বার ছিলেন একজন মুসলিম লীগের সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
সফর আলী ভুইয়া
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গােদাইল ইউনিয়নের সফর আলী ভূঁইয়া ছিলেন একজন পশু পালক। তিনি মুনলাইট সিনেমা হল মালিকের কুকুর দেখাশোনা করত। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
সবদার খান (অবাঙালি)
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সবদার খান ছিলেন লক্ষ্মী নারায়ণ কটন মিলের একজন পিয়ন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
সাইদুর মাতবর
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বাসিন্দা সাইদুর মাতবর। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
সিকদার ডাক্তার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজীনগর গ্রামের সিকদার ডাক্তার ছিলেন একজন এম. এল, এ। টিক্কা খান ২৫ মার্চ, ১৯৭১ সালে তাকে এম. এল, এ (এমপি) পদে নির্বাচিত করেন। তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
হাশেম (হাসু)
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল গ্রামের (ইউনিয়ন গোদনাইল) বাসিন্দা হাশেম (হাসু)। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
হাজের মিঞা
নারায়ণগঞ্জের, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজীনগর হাজের মিয়া ছিলেন একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
কাশেম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল গ্রামের (ইউনিয়ন গোদনাইল) বাসিন্দা কাশেম। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন। পেশায় চোর ছিলেন।
রহিমুদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজীনগর রহিমুদ্দিন ছিলেন একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
মোহাম্মদ আলী
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (ইউনিয়ন সিদ্ধিরগঞ্জ) সিদ্ধিরগঞ্জ গ্রামের মোহাম্মদ আলী ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের একজন ঠিকাদার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মোহাম্মদ ইসমাইল
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আদমজী জুট মিলের (ইউনিয়ন শিমুল পাড়া) মোহাম্মদ ইসমাইল ছিলেন একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আব্দুর রশীদ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল গ্রামের (গোদনাইল ইউনিয়ন) আব্দুর রশীদ ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
আলী হোসেন
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আদমজী নগরের আলী হোসেন ছিলেন একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।ইয়াকুব আলী খান
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার লক্ষ্মী নারায়ণ কটন মিলের ইয়াকুব আলী খান ছিলেন একজন অবাঙ্গালি। তার বাবার নাম সবদার খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
এ জব্বার সিদ্দিকী
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজীনগর এ জব্বার সিদ্দিকী ছিলেন একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
কুদ্দুস ডাক্তার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমুল পাড়া গ্রামের সোনামিয়া বাজার (ইউনিয়ন শিমুলপাড়া) কুদ্দুস ডাক্তার ছিলেন ওষুধের ডিসপেনসারির একজন কম্পাউন্ডার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
চানমিয়া সর্দার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বাসিন্দা চান মিয়া সর্দার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়। শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
জামাল মেম্বার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমুল পাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন শিমুল পাড়া) জামাল মেম্বার ছিলেন একজন মুসলিম লীগের সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
জিন্নাত আলী মাতবর
জিন্নাত আলী মাতুব্বর ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি আলবদর বাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি ছিলেন মসজিদের ইমাম।
জিন্নাত আলী মাতবর
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজী নগরের বাসিন্দা জিন্নাত আলী মাতুব্বর। তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
তজুমদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আদমজী নগরের তজুমদ্দিন ছিলেন একজন অবাঙালি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
বাদশা মিয়া
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আইলপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন শিমুলপাড়া বিহারি কলোনি, আদমজী জুট মিল) বাদশা মিয়া ছিলেন মুসলিম লীগের একজন সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
রফিক
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার রফিক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য। স্বাধীন বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
মজিব মেম্বার
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শিমুলপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন শিমুল পাড়া) মজিব মেম্বার মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তিনি ছিলেন মুসলিম লীগের সদস্য।
মোঃ মোস্তাফা
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মোঃ মোস্তাফা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য।

রূপগঞ্জ
সওদাগর
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বাসিন্দা সওদাগর। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
সদাগর ইজারাদার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার মুড়াপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) বাসিন্দা সদাগর ইজারাদার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
সিদ্দিকুর রহমান
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার মাঝিনা নদীর পাড় গ্রামের (ইউনিয়ন কায়েতপাড়া) বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
লাল মিয়া
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার টঙ্গীরঘাট গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) লাল মিয়া ছিলেন মুসলিম লীগের একজন কর্মী । তার বাবার নাম আব্দুল করিম। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
রিয়াজ উদ্দীন খান
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার মুড়াপাড়া গ্রামের (মুড়াপাড়া ইউনিয়ন) বাসিন্দা রিয়াজউদ্দীন খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আমির হোসেন ভূঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বাসিন্দা আমির হোসেন ভূঁইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
আর রহমান
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার মুড়াপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) বাসিন্দা আর রহমান । মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
ডা. আব্দুর রহিম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার গন্ধবপুর গ্রামের (ইউনিয়ন তারাব) ডা. আব্দুর রহিম ছিলেন একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। তার বাবার নাম এতিম প্রধান। তিনি মুসলিম লীগের কর্মী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
আত্মরুদ্দি, মেম্বার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) বাসিন্দা আত্মরুদ্দি মেম্বার। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
আলাউদ্দিন
আলাউদ্দিন রূপগঞ্জ থানার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের মাজিনা গ্রামের বাসিন্দা। রাজাকার বাহিনীর সদস্য।
ইসহাক আলী
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বাসিন্দা ইসহাক আলী। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
খবির কাজী
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা (মুড়াপাড়া ইউনিয়ন) বাসিন্দা খবর কাজী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটি সদস্য ছিলেন।
লতিফ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার (মুড়াপাড়া ইউনিয়ন) বাসিন্দা লতিফ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
খোদা বখস ভূঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা মুড়াপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) খোদা বখস ভুইয়া ছিলেন মুড়াপাড়া টেক্সটাইল মিলের মালিক। তার বাবার নাম এলাহী বখস ভুইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।

গুল বখস ভূঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা মুড়াপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) গুল বখস ভূঁইয়া ছিলেন মুড়াপাড়া টেক্সটাইল মিলের মালিক। তার বাবার নাম এলাহী বখস ভুইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন।
মজিবর ভুইয়া নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা মুড়াপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) মজিবর ভুইয়া
ছিলেন মুসলিম লীগের একজন সদস্য এবং মিলের মালিক। তাঁর পিতার নাম গুল বখস ভুইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মহি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার গোলকান্দাইল গ্রামের (ইউনিয়ন গোলকান্দাইল) বাসিন্দা মহি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মুর্তজাইসলাম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বাসিন্দা মুর্তজা ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মালেকচৌধুরী
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার গোলকান্দাইল গ্রামের (ইউনিয়ন গোলকান্দাইল) বাসিন্দা মালেক চৌধুরী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মজিদভুঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা মুড়াপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন মুড়াপাড়া) মজিদ ভুইয়া ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময়শান্তি কমিটির সদস্য। তার বাবার নাম এলাহী বখস ভুইয়া।
হান্নানমাওলানা,
রূপগঞ্জ উপজেলার রানীপুরা গ্রামের কুখ্যাত রাজাকার ও পাকি বাহিনীর দোসর প্রিন্সিপাল হান্নান মাওলানা। যুদ্ধের ৯ মাস প্রিন্সিপাল হান্নান মাওলানা ছিল সমগ্র রূপগঞ্জেরআতঙ্কের নাম। যুদ্ধকালীন সময়ে এ ঘৃণ্য রাজাকার ছিল রূপগঞ্জ শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক। দেশ স্বাধীন হলে রাতের আঁধারে সে ও তার দলবল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। রাজাকার হান্নান মাওলানা সে সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরের এক মাদ্রাসায় গিয়ে আত্মগোপন করে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও জনতা যুদ্ধের পর তার বাড়িতেহামলা চালায়। তাকে না পেয়ে তার পিতা নজরুদ্দিন মুন্সীকে প্রথমে পিটিয়ে এবং পরে ব্রাশফায়ারে ঝাঝরা করে দেয়। দীর্ঘদিন বেলদী মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করে।

সোনারগাঁ
এ এস এম সোলায়মান
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা বৈদ্যেরবাজার গ্রামের (ইউনিয়ন বৈদ্যেরবাজার) বাসিন্দা এ এস এম সোলায়মান। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ জোনাব আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটিরসভাপতি ছিলেন। একাত্তরের মালেক মন্ত্রীসভার শ্রম, সমাজ কল্যাণ ও পরিবার পরিকল্পনা দফতরের মন্ত্রী ও জেলা সমন্বয় কমিটির সভাপতি ছিলেন।
আব্দুল মন্নাফ ভুইয়া
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার (জামপুর ইউনিয়ন) বাসিন্দা আব্দুল মন্নাফ ভূইয়া। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
আব্দুল মান্নান তালুকদার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার মুসারচর গ্রামের (ইউনিয়ন জামতলি) বাসিন্দা আব্দুল মান্নান। তাঁর বাবার নাম চান্দে আলী ভূঁইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আব্দুল রব মিলকী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার (ইউনিয়ন বারদী) বাসিন্দা আব্দুর রব মিলকী। তার বাবার নাম আব্দুর রহিম বখশ মিলকী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
আবুল কাশেম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার গোয়ালদী গ্রামের (ইউনিয়ন আমিনপুর) বাসিন্দা আবুল কাশেম। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
আব্দুল কুদুস
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার হাতুরাপাড়া গ্রামের (ইউপি, জামপুর) বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আনোয়ারা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার কাঁচপুর গ্রামের (ইউনিয়ন কাঁচপুর) বাসিন্দা আনোয়ারা। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
আলাউদ্দিন
আলাউদ্দিন সোনারগাঁ থানার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান।
এম. এ জাহের
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার (ইউনিয়ন শম্ভুপুরা) শম্ভুপুরা গ্রামের এম এ জাহের ছিলেন থানার একজন সাধারণ সম্পাদক। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
ওদুদ মিয়া
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার হাতুরপাড়া গ্রামের (ইউপি, জামপুর) বাসিন্দা ওদুদ মিয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
গফুর সরকার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার (ইউনিয়ন সমান্দী) গ্রামের বাসিন্দা গফুরা সরকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
জমির আলী কেরানি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার ভবনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা জমির আলী কেরানি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
টেক্কা সামসু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার হাতকুপা গ্রামের বাসিন্দা টেক্কা সামসু। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
ধনু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা পাকুন্দিয়া গ্রামের (ইউনিয়ন জামপুর) বাসিন্দা ধনু। তাঁর বাবার নাম মইজউদ্দিন শিকদার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
বাখর আলী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার (ইউনিয়ন সাদিপুর) বাসিন্দা বাখর আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান।
বোরহান মাস্টার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার চরলাল গ্রামের বোরহানমাস্টার ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
মোয়েজ উদ্দীন দফাদার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার হামছাদি গ্রামের (ইউনিয়ন বৈদ্যেরবাজার) ময়েজ উদ্দীন দফাদার ছিলেন একজন চৌকিদার। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
রফিকুল ইসলাম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
সাহাবুদ্দীন ভূঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার আলমজি গ্রামের শাহাবুদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন মুসলিম লীগের একজন সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
সিরাজুল ইসলাম
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ থানার হাতুরাপাড়া গ্রামের (ইউপি জামপুর) সিরাজুল ইসলাম ছিলেন একজন কাঁচামালের ব্যবসায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
হেলাল উদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার ভরগাও গ্রামের (ইউনিয়ন সাদিপুর) হেলালউদ্দিন ছিলেন মুসলিম লীগের একজন কর্মী । মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তিকমিটির সদস্য ছিলেন।
হোসেন খাঁ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার (ইউনিয়ন কাঁচপুর) বাসিন্দা হোসেন খাঁ মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
মহিউদ্দিন মোল্লা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা বৈদ্যেরবাজার গ্রামের (ইউনিয়ন বৈদ্যেরবাজার) বাসিন্দা মহিউদ্দিন মোল্লা। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ জোনাব আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
রাজা মৌলভী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা আমিনপুরের বাসিন্দা রাজা মৌলভী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটিরচেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ছিলেন থানার সাংগঠনিক সম্পাদক।
নাসির উদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার নোয়াগাওইউনিয়নের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটিরচেয়ারম্যান ছিলেন।
সামসুল হক খান
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বাসিন্দা সামসুল হক খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
বাহর আলী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা বরগা গ্রামের (ইউনিয়ন সাদিপুর) বাসিন্দা বাহর আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি ছিলেন মুসলিম লীগের কর্মী।
গদাধর ঘোষ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা নোয়াপুর গ্রামের (ইউনিয়ন সাদিপুর) বাসিন্দা গদাধর ঘোষ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।

আড়াইহাজার
শামছুল
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার আড়াইহাজার গ্রামের (ইউনিয়ন আড়াইহাজার) বাসিন্দা শামছুল।মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
রহম আলী
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ধুপতারা গ্রামের (ইউনিয়ন ধুপতারা) রহম আলী ছিলেন একজন ঠিকাদার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
সিরাজ সিকদার
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার লক্ষ্মীবরদি গ্রামের (ইউনিয়ন সদাসদি) বাসিন্দা সিরাজ সিকদার। তার বাবার নাম নুর বক্স সিকদার । মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
সওয়াব আলী
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার আড়াইহাজার গ্রামের সওয়াব আলী ছিলেন একজন চেয়ারম্যান এবং মুসলিম লীগের সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
সাদেকুর রহমান ভুঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার পাঁচগাও গ্রামের (ধুপতারা ইউনিয়ন) সাদেকুর রহমান ভূঁইয়া ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
সাফি
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার পূর্ব আতাদি গ্রামের (ইউনিয়ন উচিতপুরা) বাসিন্দা সাফি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
আব্দুল মালেক
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার খাসেরকান্দি গ্রামের (ইউনিয়ন মামুদপুর) বাসিন্দা আব্দুল মালেক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
আব্দুর রহমান ভূঁইয়া।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার পাঁচগাও গ্রামের (ইউনিয়ন ধুপতরা) বাসিন্দা আব্দুর রহমান ভুইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন।
আব্দুর রহমান ভূইয়া
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার লক্ষ্মীবরদি গ্রামের (ইউনিয়ন সদাসদি) বাসিন্দা আব্দুর রহমান ভূইয়া। তার বাবার নাম আকবর ভূইয়া। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
আলাউদ্দিন মিয়া
আলাউদ্দিন মিয়া আড়াইহাজার থানার ব্রাম্মন্দী ইউনিয়নের প্রভাকরদি গ্রামের বাসিন্দা। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলো।
আলী মোল্লা
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার চৈতনকান্দা গ্রামের (ইউনিয়ন বিশনন্দী) বাসিন্দা আলী মোল্লা। তার বাবার নাম মোসলেউদ্দীন কারী। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।

আলী মোল্লা
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার নাগরাপাড়া গ্রামের আলী মোল্লা ছিলেন মুসলিম লীগের একজন সদস্য। তার বাবার নাম বশিরউদ্দীন মুন্সী। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
এম জাহান খান
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ইলমদী গ্রামের (ইউনিয়ন হাইজাদী) এম জাহান খান ছিলেন মুসলিম লীগের একজন সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।
কাজী শামসুদ্দিন
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার বগাদিয়া গ্রামের (ইউনিয়ন ফতেপুর) বাসিন্দা কাজী শামসুদ্দীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন।
ফারুক
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার প্রভাকরদি গ্রামের (ইউনিয়ন ব্রাম্মন্দী) বাসিন্দা ফারুক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
আকরাম উদ্দিন ভূঁইয়া
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার পূর্ব আতাদি গ্রামের (ইউনিয়ন উচিতপুরা) আকরাম উদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার শান্তি কমিটির একজন সম্পাদক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছিল।
বালু খন্দকার
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার পাঁচবাইয়া গ্রামের (ইউনিয়ন ধুপতারা) বালু খন্দকার ছিলেন একজন ব্যবসায়ী ও মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মোস্তফা
আড়াইহাজার থানার প্রভাকরদি গ্রামের (ইউনিয়ন ব্রাম্মন্দী) বাসিন্দা মোস্তফা। তার বাবার নাম সহিমুদ্দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলেন।
বেনজীর আহমেদ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ইলমদী গ্রামের (ইউনিয়ন হাইজাদী) বেনজীর আহমেদ ছিলেন একজন কবি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
জামাল
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ইলমদী গ্রামের (ইউনিয়ন হাইজাদী) জামালছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য। তিনি মুসলিম লীগের সদস্য ছিলেন।
সোনামিয়া
আড়াইহাজার থানার মোহনপুর গ্রামের (ইউনিয়ন খাগকান্দা) সোনা মিয়াছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য।
নজরুল ইসলাম
আড়াইহাজার থানার খাগকান্দা ইউনিয়নেরনজরুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য। তিনি ছিলেন একজন শিক্ষক।
মবিনউদ্দীন মাস্টার
আড়াইহাজার থানার দক্ষিণপাড়া গ্রামের (ইউনিয়ন ফতেহপুরমবিনউদ্দীন মাস্টার ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য। তিনি ছিলেন একজন শিক্ষক।
ফজলুররহমান
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার আতাদি গ্রামের (ইউনিয়ন উচিতপুরা) বাসিন্দা ফজলুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
মনির
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার আতাদি গ্রামের (ইউনিয়ন উচিতপুরা) বাসিন্দা মনির। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।
আলমগীর
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার শম্বুপুরা গ্রামের (ইউনিয়ন খাগকান্দা) বাসিন্দা আলমগীর। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি রাজাকার ছিলেন।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart