1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

পুঁজি বিনিয়োগ করে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়: তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৬

গণমাধ্যমে পুঁজি বিনিয়োগ করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া উচিত নয় জানিয়ে বিষয়টিকে গণমাধ্যমের সুষ্ঠু বিকাশে অন্তরায় বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘সংবাদপত্রের সংকট সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমে অবশ্যই যে কেউ পুঁজি বিনিয়োগ করতে পারে। পুঁজি বিনিয়োগ করে যেকোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করতে পারে, সেটা কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু পুঁজি যখন সেই গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে সেটি কোনোভাবেই উচিত নয়। এক্ষেত্রে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।’

সংবাদমাধ্যমেও পুঁজি যেকেউ বিনিয়োগ করতে পারে। পুঁজি বিনিয়োগ এর মাধ্যমে সংবাদপত্র তৈরি হওয়া ভালো, সেটি সংবাদমাধ্যম বা গণমাধ্যম বিকশিত হওয়ার জন্য ভালো, কিন্তু সেটি যখন গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে, সেটি কোনোভাবেই গণমাধ্যমের জন্য সহায়ক নয়। এক্ষেত্রে কি করা প্রয়োজন আমি মনে করি ভেবে চিন্তে আমাদের অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আজকে দেশ বিনির্মাণে, নতুন প্রজন্মের মনন তৈরিতে গণমাধ্যম, গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে পুঁজি যখন গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করবে তখন পুঁজির স্বার্থে গণমাধ্যম ব্যবহৃত হয়। সুতরাং আমি মনে করি কোনোভাবেই সুষ্ঠু বিকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যম সঠিকভাবে দেশ ও জাতির জন্য সহায়ক নয়।’

দেশের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলনের মনন তৈরি করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা সংগ্রামের মনন তৈরি করার জন্য গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, সাংবাদিকরা যে ভূমিকা পালন করেছে, সেটি যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ইতিহাসের পাতায় সেটি ততদিন লেখা থাকবে।’

বর্তমান সরকারের আমলে গণমাধ্যমের বিকাশ সবচেয়ে বেশি হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা যখন ২০০৯ সালে সরকার গঠন করি তখন বাংলাদেশে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল সাড়ে চারশ, এখন সেটি সাড়ে ১২শতে উন্নীত হয়েছে। টেলিভিশনের সংখ্যা ছিল ১০টি, এখন সেটি ৩৪টিতে উন্নীত হয়েছে, ৪৫টির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। রেডিও এখন ২২টির বেশি লাইসেন্স দেওয়া আছে। তখন হাতে গোনা কয়েকটি অনলাইন ছিল, এখন কয়েক হাজার অনলাইন বাংলাদেশে প্রচারে আছে। বাংলাদেশে প্রাইভেট টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই।’

অনিয়মিতভাবে পাবলিশ হওয়া পত্রিকার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের দেশে দেখা যায় অনেক দৈনিক পত্রিকা নিয়মিত বের হয় না। হঠাৎ হঠাৎ বের হয় বা যেদিন বিজ্ঞাপন পায় সেদিন বের হয়। এসব প্রত্রিকা যেগুলো হঠাৎ হঠাৎ বের হয় সেগুলো আসলে গণমাধ্যমের শুষ্ঠু বিকাশে কতটুকু সহায়ক সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে।’

তিনি বলেন, ‘পত্রিকার প্রচার সংখ্যা নিয়ে যে সংখ্যা দেখানো হয়, সেটা অনেকগুলো পত্রিকার ক্ষেত্রে সঠিক, কিন্তু অনেকগুলোর ক্ষেত্রে বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল নেই। এক্ষেত্রে একটি বাস্তবতার নিরিখে নির্ভর প্রচার সংখ্যা যাতে হয় সে নিয়েও আমরা কাজ করছি।’

ডিআরইউ রজতজয়ন্তী উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান শাজাহান সরদারের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে এর সাবেক সভাপতি মঞ্জুর আহসান বুলবুল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart