1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন

বৈদেশিক বাণিজ্যে ৮০ শতাংশ অর্থপাচার

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৫৯

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বলছে, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের অধিকাংশই অর্থাৎ ৮০ শতাংশেরও বেশি অর্থ বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে পাচার হয়। অর্থপাচার রোধে সমন্বিত উদ্যোগে গাইডলাইন্স জারি করার কথা বলছে সংস্থাটি।

বিএফআইইউ’র এ সংক্রান্ত নীতিমালার মধ্যে রয়েছে, বৈদেশিক বাণিজ্যের আড়ালে বিদেশে অর্থ পাচারকে উচ্চ ঝুঁকি বিবেচনায় এ সম্পর্কিত কেস বিশ্লেষণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করা। পাচার করা অর্থ চিহ্নিতের নিমিত্তে কৌশলগত বিশ্লেষণের জন্য একজন উপ-মহাব্যবস্থাপকের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা এবং করণীয় বিষয়ে গাইডলাইন জারি করা। বৈদেশিক বাণিজ্যের সব ব্যাংক কর্মকর্তাকে বাণিজ্যভিত্তিক মানিলন্ডারিং বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা এবং অর্থপাচারের মামলা তদন্তে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরকে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করা।

চলতি মাসের ১০ ডিসেম্বর নীতিমালাটি প্রণয়ন করে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় সংস্থা- বিএফআইইউ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিএফআইইউ, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ফোকাস গ্রুপ গাইডলাইন্সের খসড়া প্রণয়ন করেছে। বিএফআইইউ’র গাইডলাইন্সের আলোকে আগামী বছর ১০ মার্চের মধ্যে প্রতিটি ব্যাংক বাণিজ্যভিত্তিক মানিলন্ডারিং ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে নিজস্ব গাইডলাইন্স/ম্যানুয়েল প্রস্তুত করবে। আগামী ১ জুন এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

বিএফআইইউ বলছে, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, পাচার করা অর্থের বেশির ভাগ অর্থাৎ ৮০ শতাংশেরও বেশি বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে পাচার হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন ও সংবাদ মাধ্যমেও বাংলাদেশ হতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি মানিলন্ডারিং বা অর্থপাচার হচ্ছে বলে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিএফআইইউ, দুদক ও সিআইডি’র যৌথ উদ্যোগে প্রণীত ‘বাংলাদেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণ প্রতিবেদন’-এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং ও বিদেশে অর্থপাচার ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রেড মিসইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ বাইরে চলে গেছে- এমন প্রথম ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৮তম। একইভাবে পোর্টে ট্রেড মিসইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ দেশে প্রবেশ করেছে- এমন প্রথম ৫০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে।

বিএফআইইউ আরও জানায়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অর্থপাচারের হার সবচেয়ে বেশি। আমদানিযোগ্য পণ্য বা সেবার মূল্য বৃদ্ধি করে বিশেষত যেসব পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কম যেমন- মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, কম্পিউটারসামগ্রী ইত্যাদি বা যেসব পণ্য বা সেবার দাম নির্ধারণ কঠিন সেসব পণ্য বা সেবা আমদানির মাধ্যমে অর্থপাচার হয়ে থাকে। বিপরীত দিকে, রফতানিকৃত পণ্যের মূল্য কম দেখিয়ে অবশিষ্ট অর্থ বিদেশে রেখেও অর্থপাচার ঘটে থাকে। পাশাপাশি আমদানি করা পণ্যের বিবরণ পরিবর্তন করে বা কোনো পণ্য আমদানি না করে শুধুমাত্র ডকুমেন্টের বিপরীতে মূল্য পরিশোধ করেও অর্থপাচার হয়ে থাকে। এছাড়া, একই পণ্য বা সেবার একাধিক চালান ইস্যুকরণ, ঘোষণার তুলনায় পণ্য বা সেবা বেশি বা কম জাহাজীকরণের মাধ্যমেও অর্থপাচার হয়ে থাকে।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে এ ইউনিট কর্তৃক গৃহীত উপরের পদক্ষেপ ছাড়াও এ বিষয়ে কৌশলগত বিশ্লেষণ, বাণিজ্যভিত্তিক মানিলন্ডারিংয়ের ক্ষেত্র ও পদ্ধতি চিহ্নিতকরণে নয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা বাণিজ্যভিত্তিক মানিলন্ডারিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্র ও পদ্ধতি চিহ্নিত করবে। সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন যাচাই করবে। ব্যাংকগুলোর আমদানি-রফতানি তথ্য পর্যালোচনাপূর্বক চিহ্নিত ব্যাংক পরিদর্শন করবে। পাশাপাশি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে এ ইউনিট কর্তৃক প্রণীত গাইডলাইন্স বাস্তবায়নে কাজ করবে।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart