1. admin@bangla24bdnews.com : b24bdnews :
  2. robinmzamin@gmail.com : mehrab hossain provat : mehrab hossain provat
  3. maualh4013@gmail.com : md aual hosen : Md. Aual Hosen
  4. tanvirahmedtonmoy1987@gmail.com : shuvo khan : shuvo khan
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

মুন্সিগঞ্জে পদ্মার পানি কমতে শুরু করেছে

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০
  • ১১৬

মুন্সিগঞ্জে পদ্মা নদীর ভাগ্যকূল পয়েন্টে ৬ দশমিক ৩০ মিটার বিপৎসীমার বিপরীতে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় ৬ দশমিক ৪৫ মিটার ও দুপুর ১২ টায় ৬ দশমিক ৩৮ মিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। সবশেষ হিসাব অনুযায়ী বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পদ্মার পানি ভাগ্যকূল পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিকে রোববার (৫ জুলাই) একই পয়েন্টে সকাল ৯টায় ছিল ৬ দশমিক ৫৭ মিটার, যা বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপরে পদ্মার পানি ছিল। পদ্মা নদী তীরবর্তী লৌহজং উপজেলা ও টংগিবাড়ী উপজেলার ৩ শতাধিক পরিবারের তীরবর্তী এলাকায় আছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টংগিবাড়ী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ৯টি গ্রাম হলো- পাচগাঁও ইউনিয়নের গারুরগাঁও, কুকুরাদি, কামারখাড়া ইউনিয়নের চৌষাড়, ভাঙ্গুনিয়া, বরাইল, বাগবাড়ি, দিঘিরপাড় ইউনিয়নের হায়ারপাড়, সরিষাবন, বেতকা ইউনিয়নের উত্তর বেতকা গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক পরিবার ঝুঁকিতে আছে। এছাড়া লৌহজং উপজেলার তেউটিয়া, কনকসার ও বেজগাঁও ইউনিয়নে পানি বাড়ার ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে শতাধিকের বেশি পরিবার।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাবিরুল ইসলাম খান বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, সোমবার থেকে পানি বৃদ্ধি পায়নি। কমতে শুরু করেছে। তবে নদী পাড়ে কোনো ভাঙন নেই। তবে উপজেলার তেউটিয়া ইউনিয়নের বাড়িগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। মূল পদ্মার পাশে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো বাড়ির অবস্থান নেই। ১ হাজার পরিবারকে ত্রাণের ২০ মেট্রিক টন চালের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া ৫৫ হাজার টাকাও আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে। পুরো উপজেলাতে ১০০টির বেশি পরিবার ঝুঁকির মধ্যে আছে।

টংগিবাড়ী ইউএনও হাসিনা আক্তার বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, বন্যার জন্য উপজেলাতে এখনো কোনো বরাদ্দ নেই। পদ্মা ও ইছামতীতে পানি বৃদ্ধির কারণে তিনটি ইউনিয়নের ৯টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। তবে বাড়িতে এখনো পানি প্রবেশ করেনি। এসব গ্রামগুলোর প্রায় দুই শতাধিক পরিবার ঝুঁকির মধ্যে আছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০টি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। তীরবর্তী অনেকেই আগে থেকে নিরাপদ স্থানে সরে গিয়েছে। ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মুন্সিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী টিএম রাশিদুল কবীর বাংলা২৪ বিডি নিউজকে বলেন, সোমবার সকাল ৯টায় পদ্মার ভাগ্যকূল পয়েন্টে পানি উচ্চতা ছিল ৬ দশমিক ৪৫ মিটার ও দুপুর ১২টায় ছিল ৬ দশমিক ৩৮ মিটার। তীরবর্তী এলাকাগুলোতে পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা বাংলা২৪ বিডি নিউজকে জানান, গত কয়েকদিন ধরেই পদ্মার পানি বাড়ছে। নিম্নাঞ্চলের চর এলাকাগুলোতে থাকা বাসা বাড়িতে পানি কিছুটা প্রবেশ করলেও এমন সংখ্যা কম। তবে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে এভাবে চলতে থাকলে। বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ির লোকজন নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন।

ফেসবুকে আমরা

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.bangla24bdnews.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Customized By NewsSmart